পদত্যাগের পরও আজীবন যেসব সুবিধা পাবেন মো. সাহাবুদ্দিন
ডারউইন, ২৫ জুলাই: পদত্যাগ করেছেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির মো. সাহাবুদ্দিন। তবে সাংবিধানিক দায়িত্ব ছেড়ে দিলেও প্রচলিত আইন অনুযায়ী তিনি আজীবন অবসরভাতাসহ রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা…
মেলবোর্ন, ২১ জুলাই – প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে স্বৈরাচারের দোসররা এখনও সক্রিয় থাকার কারণে সরকারের অনেক জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ মাঠ পর্যায়ে পৌঁছাতে বিলম্ব হচ্ছে বা পৌঁছাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
রবিবার সকালে চট্টগ্রামের নিউমার্কেট এলাকায় ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান’-এর শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, “আমি যখন সরকারে ছিলাম বা আমাদের যারা সরকারে গেছেন, আমরা শহীদ পরিবারের জন্য নানা উদ্যোগ নিয়েছি। কিন্তু মাঠ পর্যায়ে তা ঠিকভাবে পৌঁছায়নি বা দেরি হয়েছে। এর পেছনে প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে থাকা স্বৈরাচারের দোসরদের ভূমিকা রয়েছে। শহীদ পরিবারগুলোর সম্মান যা পাওয়ার কথা, তা হয়নি; আমরা নানা জায়গায় এসব অভিযোগ পাই।”
তিনি আরও জানান, “গোপালগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় আমাদের সঙ্গে নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। আমরা এক ধরনের সমস্যার মধ্যে রয়েছি।”
শহীদ পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশ্যে নাহিদ ইসলাম বলেন, “আমরা কোনো রাজনৈতিক দল হিসেবে আপনার কাছে আসিনি। আমরা গণঅভ্যুত্থানের অংশ ছিলাম। শহীদরা কোনো দলের সদস্য ছিলেন না, তারা দেশের জন্য প্রাণ উৎসর্গ করেছেন। আমরা তাদের সম্মান প্রতিষ্ঠায় সংগ্রাম করছি।”
সাক্ষাৎকালে এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, যুগ্ম সদস্য সচিব তাসনিম জারাসসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
গত ১ জুলাই থেকে ‘দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে এনসিপি। এর অংশ হিসেবে দলটি কক্সবাজার, বান্দরবান ও চট্টগ্রামে পথসভা ও জনসংযোগ কার্যক্রম চালাচ্ছে। তবে চকরিয়ায় মঞ্চ ভাঙচুরের কারণে সেখানে তাদের সভা বাতিল করতে হয়েছে।
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, “শহীদ পরিবারের সম্মান ও মর্যাদা এখনও পুরোপুরি নিশ্চিত হয়নি। আমরা বিভিন্ন জায়গায় এ বিষয়ে অভিযোগ পাচ্ছি।”
সাক্ষাৎ শেষে এনসিপির নেতারা রাঙ্গামাটির উদ্দেশে রওনা দেন। সেখানে পদযাত্রার পর সন্ধ্যায় চট্টগ্রামে আরও একটি গণসংযোগ কর্মসূচি রয়েছে।