আজ ১৫ আগস্ট, বঙ্গবন্ধু হত্যার ৫১ বছর
ডারউইন, আগস্ট ১৫ : স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী আজ ১৫ আগস্ট। ১৯৭৫ সালের এই দিনে একদল বিপথগামী সেনাসদস্য স্বাধীনতা যুদ্ধের মহান…
চুয়াডাঙ্গা: পৌষের হাড়কাঁপানো শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে সীমান্তঘেঁষা জেলা চুয়াডাঙ্গার জনজীবন। গত কয়েকদিন ধরে এ জেলায় তাপমাত্রা দ্রুত কমতে থাকায় এবং হিমেল হাওয়া বইতে থাকায় মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে ছিন্নমূল ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য শীত এখন মরণফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তীব্র শীত ও কুয়াশার দাপট: রোববার (২৮ ডিসেম্বর) চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের তথ্যমতে, সকাল ৯টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ভোর থেকেই ঘন কুয়াশা চাদরের মতো ঘিরে রেখেছে গোটা জনপদ। বেলা গড়িয়ে দুপুর হলেও সূর্যের তীব্রতা মেঘ আর কুয়াশা ভেদ করে পৌঁছাতে পারছে না। ফলে দিনভর কনকনে ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে।
বিপর্যস্ত খেটে খাওয়া মানুষ: তীব্র এই শীতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন দিনমজুর, কৃষি শ্রমিক, রিকশা ও ভ্যানচালকরা। কনকনে ঠান্ডায় মাঠে কাজ করা বা রাস্তায় রিকশা চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। শহরের মোড়ে মোড়ে খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করতে দেখা গেছে অনেককে। এক দিনমজুর জানান, “ঠান্ডায় হাত-পা অবশ হয়ে আসছে, কিন্তু কাজ না করলে পেট চলবে না। এমন শীতে আমরা একদম অসহায়।”
জনদুর্ভোগ: প্রচণ্ড ঠান্ডার কারণে চুয়াডাঙ্গার রাস্তাঘাটে সাধারণ মানুষের চলাচল সীমিত হয়ে পড়েছে। খুব জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। শীতজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিচ্ছে হাসপাতালগুলোতে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, কুয়াশার দাপট এবং উত্তরের হাওয়া অব্যাহত থাকলে শীতের এই দাপট আরও কয়েকদিন বজায় থাকতে পারে।