আজ শারদীয় দুর্গোৎসবের মহানবমী
ডারউইন, অক্টোবর ২০: আজ শারদীয় দুর্গোৎসবের মহানবমী। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও পূজা-অর্চনার মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপন করবেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। মহানবমী ঘিরে দেশের বিভিন্ন পূজামণ্ডপে ভক্তের ভিড়…
লন্ডন : লন্ডনের আসন্ন মেয়র নির্বাচনে রিফর্ম ইউকে পার্টির প্রার্থী লায়লা কানিংহ্যামের একটি মন্তব্য যুক্তরাজ্যজুড়ে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। মুসলিম নারীদের বোরকা পরা নিয়ে তাঁর নেতিবাচক বক্তব্য ইসলামবিদ্বেষ উসকে দিচ্ছে এবং নারীদের নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে বলে অভিযোগ তুলেছেন সমালোচকরা। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘দ্য গার্ডিয়ান’-এর এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।
কী বলেছিলেন কানিংহ্যাম? সাবেক এই সরকারি প্রসিকিউটর ও মিসরীয় বংশোদ্ভূত মুসলিম প্রার্থী সম্প্রতি ‘স্ট্যান্ডার্ড পডকাস্ট’-এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “একটি উন্মুক্ত সমাজে কারো মুখ ঢাকা থাকা উচিত নয়। কেউ যদি মুখ ঢাকে, তবে ধরে নিতে হবে তা কোনো অপরাধমূলক উদ্দেশ্যেই করা হচ্ছে।” তিনি আরও যোগ করেন, লন্ডনের কিছু এলাকায় গেলে মনে হয় এটি কোনো মুসলিম শহর, যা ব্রিটিশ সংস্কৃতির পরিপন্থী।
ব্যারোনেস শাইস্তা গোহিরের তীব্র প্রতিবাদ: মুসলিম উইমেনস নেটওয়ার্ক ইউকের প্রধান নির্বাহী এবং ক্রসবেঞ্চ পিয়ার ব্যারোনেস শাইস্তা গোহির এই মন্তব্যকে ‘বিপজ্জনক’ ও ‘বর্ণবাদী বার্তা’ (ডগ হুইসল) বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন:
কানিংহ্যাম নিজের মুসলিম পরিচয় ব্যবহার করে এমন এক বার্তা দিচ্ছেন, যা মুসলিমদের সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন করবে।
ইসলামবিদ্বেষী হুমকি বাড়ায় তাঁর সংস্থাকে ইতোমধ্যে অফিসের সাইনবোর্ড পর্যন্ত সরিয়ে ফেলতে হয়েছে।
এ ধরনের বক্তব্য উগ্রবাদীদের মুসলিম নারীদের ওপর হামলা করতে উৎসাহিত করবে।
লায়লা কানিংহ্যাম ২০২৮ সালের লন্ডন মেয়র নির্বাচনে রিফর্ম ইউকের প্রার্থী হিসেবে লড়াই করার ঘোষণা দিয়েছেন। তাঁর এই কট্টরপন্থী অবস্থানকে রিফর্ম ইউকের রাজনীতির প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।