আজ শারদীয় দুর্গোৎসবের মহানবমী
ডারউইন, অক্টোবর ২০: আজ শারদীয় দুর্গোৎসবের মহানবমী। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও পূজা-অর্চনার মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপন করবেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। মহানবমী ঘিরে দেশের বিভিন্ন পূজামণ্ডপে ভক্তের ভিড়…
ওয়াশিংটন ডেস্ক: জেফরি এপস্টেইনের যৌন পাচার মামলা সংক্রান্ত লক্ষাধিক নথি প্রকাশের পর যুক্তরাষ্ট্রে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক অস্থিরতা। মার্কিন বিচার বিভাগ এই তদন্তের সমাপ্তি ঘোষণা করে নতুন কোনো মামলা না করার সিদ্ধান্ত নিলেও, কংগ্রেসের অনড় অবস্থান এবং ভুক্তভোগীদের আইনি লড়াই বিষয়টি হোয়াইট হাউসের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
নথিতে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মার্কিন প্রতিনিধি সভার রিপাবলিকান আইন প্রণেতারা সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন এবং সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনকে তলব করেছেন। আগামী ফেব্রুয়ারিতে তাঁদের সাক্ষ্য দেওয়ার কথা রয়েছে। সাক্ষ্য দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাঁদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, নথিতে তাঁর বিরুদ্ধে আপত্তিকর কিছু নেই এবং এখন সময় সামনে এগিয়ে যাওয়ার। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রকাশিত নথিতে ট্রাম্পের নাম ৬ হাজারেরও বেশি বার এসেছে। বিশেষ করে ২০১১ সালে এপস্টেইনের একটি গোপন ইমেল— যেখানে লেখা ছিল ‘ট্রাম্পের বিষয়টি এখনো জনসমক্ষে আসেনি’— নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
এপস্টেইন সংযোগের কারণে কেবল রাজনীতিবিদরাই নন, বিল গেটস ও ইলন মাস্কের মতো ধনকুবেরদেরও নথিতে নাম আসার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে হয়েছে। এছাড়া ব্রিটিশ রাজপরিবারের অ্যান্ড্রু মাউন্টব্যাটেন-উইন্ডসর এবং ল্যারি সামারসের মতো ব্যক্তিত্বরা ইতিমধ্যেই তাঁদের সামাজিক ও পেশাগত অবস্থান হারিয়েছেন।