আজ শারদীয় দুর্গোৎসবের মহানবমী
ডারউইন, অক্টোবর ২০: আজ শারদীয় দুর্গোৎসবের মহানবমী। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও পূজা-অর্চনার মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপন করবেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। মহানবমী ঘিরে দেশের বিভিন্ন পূজামণ্ডপে ভক্তের ভিড়…
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : অধিকৃত গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের সীমান্ত অবরোধ ও চলাচলের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ এখন আর কেবল সাময়িক কোনো ‘নিরাপত্তা ব্যবস্থা’ নয়, বরং এটি ফিলিস্তিনিদের ওপর সম্মিলিত শাস্তির এক স্থায়ী হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধের পর গাজার সীমান্ত পারাপারের নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা পুরোপুরি ইসরায়েলের হাতে চলে যাওয়ায় গাজাবাসীর জীবনধারণ, খাদ্য সরবরাহ এবং জরুরি চিকিৎসা সেবা এখন অনিশ্চিত।
২০২৪ সালের মে মাসে রাফাহ সীমান্ত পারাপারের ফিলিস্তিনি অংশের নিয়ন্ত্রণ ইসরায়েল নেওয়ার পর থেকে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। বহির্বিশ্বের সঙ্গে সংযোগের একমাত্র পথটি বন্ধ থাকায় মানবিক সহায়তার ট্রাকগুলো সীমান্তে আটকা পড়ে আছে এবং নষ্ট হচ্ছে টন টন খাদ্যসামগ্রী। এর ফলে উত্তর গাজায় দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) তথ্যমতে, বর্তমানে গাজায় ১৮,৫০০-এর বেশি রোগী জরুরি ভিত্তিতে বিদেশে চিকিৎসার অপেক্ষায় থাকলেও মাত্র অল্প কয়েকজনকে সীমান্ত পার হওয়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, গত এক বছরে উন্নত চিকিৎসার অপেক্ষায় থাকা অন্তত ১,৬০০ ফিলিস্তিনি গাজার ভেতরেই বিনা চিকিৎসায় মারা গেছেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইসরায়েলি বাহিনীর কয়েক স্তরের নিরাপত্তা তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদের এই নীতি কেবল ভ্রমণের স্বাধীনতাই কেড়ে নেয়নি, বরং গাজার শিক্ষা, অর্থনীতি এবং পারিবারিক বন্ধনকেও ধ্বংস করে দিচ্ছে। মানবাধিকার কর্মীদের মতে, চলাচলের এই নিয়ন্ত্রণ আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন এবং যুদ্ধাপরাধের শামিল।