আজ ১৫ আগস্ট, বঙ্গবন্ধু হত্যার ৫১ বছর
ডারউইন, আগস্ট ১৫ : স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী আজ ১৫ আগস্ট। ১৯৭৫ সালের এই দিনে একদল বিপথগামী সেনাসদস্য স্বাধীনতা যুদ্ধের মহান…
ঢাকা: রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা পৃথক তিনটি মামলার রায় ঘোষণার দিন ঠিক করেছেন আদালত। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলসহ মোট ৪৭ জন আসামির বিরুদ্ধে করা এই মামলাগুলোর রায় আগামী ২৭ নভেম্বর ঘোষণা করা হবে।
রোববার (২৩ নভেম্বর) ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে এই তারিখ ধার্য করেন।
দুদকের প্রসিকিউটর খান মো. মঈনুল হাসান (লিপন) বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “পৃথক এই তিন মামলায় ৪৭ জন আসামির বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য বিচারিক আদালত আগামী ২৭ তারিখ ধার্য করেছেন। আমরা আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা দাবি করেছি, যার সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।”
মামলার অভিযোগে বলা হয়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবার সরকারের সর্বোচ্চ পদে থাকাকালে অর্পিত ক্ষমতার অপব্যবহার করেন। তারা বরাদ্দ পাওয়ার যোগ্য না হওয়া সত্ত্বেও অসৎ উদ্দেশ্যে পূর্বাচল আবাসন প্রকল্পের ২৭ নম্বর সেক্টরের ২০৩ নম্বর রাস্তার ৬টি প্লট বরাদ্দ নিয়েছেন।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে পৃথক ৬টি মামলা দায়ের করে। পরে এর তিনটি মামলা ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালতে বিচারের জন্য আসে। গত ১৭ নভেম্বর পৃথক এই তিন মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয় এবং গত ৩১ জুলাই আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছিল।
শেখ হাসিনা ও সাবেক সিনিয়র সচিব পূরবী গোলদারসহ ১২ জন।
শেখ হাসিনা ও সজীব ওয়াজেদ জয়সহ ১৭ জন।
শেখ হাসিনা ও মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলসহ ১৮ জন।
মামলার উল্লেখযোগ্য অন্য আসামিরা হলেন— শেখ রেহানা, তার মেয়ে ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক, মেয়ে আজমিনা সিদ্দিক রূপন্তী, ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি। এ ছাড়া জাতীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং রাজউকের একাধিক সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তা รวมถึง সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ এবং প্রধানমন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব সালাউদ্দিনও আসামির তালিকায় রয়েছেন।
শুনানিকালে গ্রেপ্তারকৃত একমাত্র আসামি রাজউকের সদস্য খোরশেদ আলমের পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন আইনজীবী মো. শাহীনুর ইসলাম এবং তাকে নির্দোষ দাবি করেন। তবে মামলার অন্যান্য আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সুযোগ ছিল না।