দাম না পেয়ে আলু ফেলে দিচ্ছে বাংলাদেশের কৃষক, ক্ষতি ছাড়িয়েছে হাজার কোটি টাকা
ডারউইন, ০৮ মে: রংপুর অঞ্চলে এবার আলুর বাম্পার ফলন হলেও কৃষকের মুখে হাসি নেই। বাজারে দাম ধসে পড়া, হিমাগারে সংরক্ষণ সংকট এবং বৈরী আবহাওয়ায় আলু…
ঢাকা: রাজধানীর মিরপুরের শিয়ালবাড়িতে আগুনে পুড়ে যাওয়া রাসায়নিক গুদাম ‘আলম ট্রেডার্স’ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের তৈরি করা অবৈধ প্রতিষ্ঠানের তালিকাতেই ছিল। আজ বুধবার (১৫ অক্টোবর, ২০২৫) বিকেলে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (অপারেশন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স) লে. কর্নেল তাজুল ইসলাম।
নোটিশ ও অভিযান প্রক্রিয়া
লে. কর্নেল তাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, অবৈধ তালিকায় থাকার কারণে এই গুদামকে সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোকে জানানোর পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে তিনবার নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। সর্বশেষ, গুদামটিতে অভিযান চালানোর প্রস্তুতি ছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আগুন লাগার ঘটনা: গতকাল মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এই রাসায়নিক গুদামে প্রথম আগুন লাগে। বিস্ফোরিত হয়ে সেই আগুন পাশের একটি চারতলা ভবনে ছড়িয়ে পড়ে। ওই ভবনের দোতলায় স্মার্ট প্রিন্টিং নামের একটি টি-শার্ট প্রিন্টিং কারখানা এবং তিন ও চারতলায় আরএন ফ্যাশন নামের একটি পোশাক কারখানা ছিল।
প্রাণহানি: ভবনটির দোতলা ও তিনতলার বিভিন্ন স্থান থেকে এ পর্যন্ত ১৬টি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। স্বজনদের পক্ষ থেকে এদের মধ্যে ১০ জনের মরদেহ শনাক্তের দাবি জানানো হয়েছে।
রাসায়নিকের কারণে মূল গুদামে প্রবেশে বাধা
ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা জানান, রাসায়নিকের তীব্র তেজস্ক্রিয়তার কারণে এখনো পর্যন্ত আলম ট্রেডার্সের মূল গুদামে সার্চ অপারেশন চালানো সম্ভব হয়নি।
লে. কর্নেল তাজুল ইসলাম বলেন, “আমরা সিস্টেমেটিক কাজ করছি। টেকনোলজি অ্যাপ্লাই করছি। ড্রোন দিয়ে দেখছি এবং আমরা বোঝার চেষ্টা করছি।”
তিনি জানান, গুদামটিতে ছয়-সাত ধরনের রাসায়নিক দ্রব্য রয়েছে, তবে সেগুলোর ধরণ ও মাত্রা এখনো যাচাই করা যায়নি। পুরো গুদামটি রাসায়নিকে ঠাসা থাকায় এখন কেবল পানি ছিটিয়ে এসব অপসারণের কাজ চলছে। এই প্রক্রিয়া শেষ হতে আরও ৩৬ থেকে ৭২ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে।
ভবন ও অভিযানের ঝুঁকি
ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক আরও জানান, গুদামের ভবনটি উচ্চ তাপমাত্রার কারণে অনেকাংশেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভবনের পিলারগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এটি যেকোনো অভিযানের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। ঝুঁকি এড়াতে নিরাপত্তার সঙ্গে ধাপে ধাপে কাজ করা হচ্ছে।
আলম ট্রেডার্সের মূল দরজায় তালা মারা ছিল। হাইড্রলিক স্প্রেডার ও কাটার দিয়ে তালা কেটে গুদামে প্রবেশ করতে হয়েছে। তাজুল ইসলাম বলেন, “সুতরাং ধারণা করা হচ্ছে যে এখানে হয়তো মানুষ ছিল না। তারপরও সার্চ অপারেশন না চালানো পর্যন্ত বলা যাবে না, এখানে মানুষ ছিলেন কি ছিলেন না।”