দাম না পেয়ে আলু ফেলে দিচ্ছে বাংলাদেশের কৃষক, ক্ষতি ছাড়িয়েছে হাজার কোটি টাকা
ডারউইন, ০৮ মে: রংপুর অঞ্চলে এবার আলুর বাম্পার ফলন হলেও কৃষকের মুখে হাসি নেই। বাজারে দাম ধসে পড়া, হিমাগারে সংরক্ষণ সংকট এবং বৈরী আবহাওয়ায় আলু…
চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (সিইপিজেড) এলাকায় অ্যাডামস ক্যাপস অ্যান্ড টেক্সটাইল লিমিটেড ও জিহং মেডিকেল কোম্পানির সাততলা কারখানার গুদামে লাগা আগুন সাত ঘণ্টা পার হলেও নিয়ন্ত্রণে আসেনি। আগুনের প্রচণ্ড তাপ এবং থেমে থেমে ছোট বিস্ফোরণের কারণে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের আগুন নেভাতে চরম বেগ পেতে হচ্ছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর, ২০২৫) বেলা দুইটার দিকে এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। আগুন সাততলা ভবনটির পাশাপাশি পাশের একটি তিনতলা ভবনেও ছড়িয়ে পড়েছে।
কারখানার ধরন: অ্যাডামস ক্যাপস অ্যান্ড টেক্সটাইল লিমিটেডে তোয়ালে ও ক্যাপ তৈরি হতো এবং জিহং মেডিকেল কোম্পানিতে সার্জিক্যাল গাউন তৈরি হয়। দুটি কারখানার গুদামই সাততলায় অবস্থিত, যেখান থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নিয়ন্ত্রণহীনতা: রাত সাড়ে আটটার দিকে সরেজমিনে দেখা যায়, আগুনের তাপের তীব্রতা এত বেশি যে ভবনের ১০০ মিটার দূর থেকেও কাছে যাওয়া যাচ্ছে না। তাপের কারণে ভবনের ছাদ ধসে পড়ছে এবং আগুনের ফুলকি চারপাশে ছড়িয়ে পড়ছে।
দমকলের প্রচেষ্টা: ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা তাপের কারণে কাছে যেতে না পেরে দূর থেকে এক পাশে পানি দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করছেন এবং আশপাশের ভবনগুলোতে পানি ছিটিয়ে আগুন ছড়িয়ে পড়া রোধ করার চেষ্টা করছেন।
ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক আনোয়ার হোসেন বলেন, “ভেতরে দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন নেভাতে বেগ পোহাতে হচ্ছে।” সিইপিজেড কর্তৃপক্ষ এবং কারখানার মালিকপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে আগুনের সূত্রপাতের সঙ্গে সঙ্গেই সব শ্রমিককে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, ভেতরে কেউ আটকে নেই।
আগুন ছড়িয়ে পড়া রোধে আশপাশের সব কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এই এলাকায় কাউকে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং দুই প্লাটুন বিজিবি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছে।
চট্টগ্রাম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (সিইপিজেড) এলাকার নির্বাহী পরিচালক আবদুস সুবহান নিশ্চিত করেন, আশপাশের কোনো কারখানা খোলা রাখা হয়নি এবং আগুন যাতে আর না ছড়ায়, সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।