ঢাকা : বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে জিয়া পরিবারের অবদান কেবল রণাঙ্গনেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত ত্যাগের এক বিশাল ক্যানভাস। ১৯৭১ সালে মেজর জিয়াউর রহমান যখন পরিবার ফেলে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন, তখন থেকে দুই সন্তানকে নিয়ে খালেদা জিয়ার শুরু হয় অনিশ্চিত এক জীবন।
চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা—প্রতিটি পদে পাকিস্তানি সেনাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে নিজেকে ও সন্তানদের রক্ষা করেছেন তিনি। এমনকি গ্রেফতার হওয়ার পর ঢাকা সেনানিবাসে বন্দি থেকেও জিয়াউর রহমানের মনোবল ভাঙতে দেননি। ইতিহাসের তথ্যমতে, চট্টগ্রাম সেনানিবাসের অস্ত্র রক্ষা থেকে শুরু করে জিয়াউর রহমানের বিদ্রোহে পূর্ণ সমর্থন দেওয়ার মাধ্যমে খালেদা জিয়া স্বাধীনতার অন্যতম প্রভাবক হিসেবে কাজ করেছেন।
পরবর্তীতে সরকার প্রধান হিসেবেও তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বোচ্চ সম্মান দিয়েছেন। তারামন বিবিকে স্বীকৃতি দেওয়া, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন এবং বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের দেহাবশেষ দেশে ফিরিয়ে আনার মতো ঐতিহাসিক কাজগুলো তাঁর হাত ধরেই সম্পন্ন হয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে জিয়া পরিবারের এই অবদান ইতিহাসের পাতায় অম্লান হয়ে থাকবে।