জেনে নিন বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তান বিমান ভাড়া কত?
যারা বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানে ভ্রমণ করতে চান তাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তান বিমান ভাড়া। আগে তুলনামূলকভাবে কম ছিল। কিন্তু বর্তমান সময়ে…
অনেকেই জানতে চান, ইউরোপের কোন দেশের ভিসা সহজে পাওয়া যায়? সে বিষয়গুলো নিয়ে আপনাদের মধ্যে যারা ইউরোপ সম্পর্কে কোথায় যাবেন, কোন দেশে যাবেন, কোন দেশে গেলে আপনার জন্য ভালো হবে। প্রবাসী ভাইয়েরা কোথায় যাবেন কোন দেশের জন্য সুবিধা হবে।
অথবা বাংলাদেশ থেকে যারা যেতে চাচ্ছেন। ইউরোপের দিকে তারা কোথায় কোন দেশে আবেদন করবেন। এসব বিষয় নিয়ে আপনার অনেক সময় পরামর্শ চান। সেই একটি বিষয়ে আজকে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করছি। আর সেটি হচ্ছে বাংলাদেশ থেকে ইউরোপ সেনজেনভুক্ত দেশ এবং নন-সেনজেনভুক্ত দেশে যাওয়ার সুযোগ আছে।
সেনজেনভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে মালটা, পোল্যান্ড, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, হাঙ্গেরি, এবং ইটালি ভিসা হয়। মাঝে মাঝে যদি রিকোয়ারমেন্ট ফুলফিল করা যায় তাহলে ডেনমার্ক, নেদারল্যান্ড, নরওয়ে, এবং ফিনল্যান্ড সহ বেশ কিছু দেশে ভিসা করা যায়।
তবে এগুলো নির্ভর করে, আপনি রিকুটমেন্ট ফুল ফিল্ম করার পর এপ্লাই করা যায়। আর রিকোয়ারমেন্ট যদি ফুল-ফিল করা না যায় তাহলে এধরনের ফাইল গুলো আমরা রিসিভ করিনা।
গণহারে এবং আমজনতা যারা আছেন যাদের পড়াশোনা আছে এবং কারো একেবারেই নাই এই ধরনের যারা আছেন। তারা রোমানিয়া, ক্রোয়েশিয়া, বুলগেরিয়া, কসোভো অথবা আলবেনিয়া দেশ গুলো হতে পারে আপনাদের ডেস্টিনেশন।
যারা রোমানিয়া যেতে চান, অথবা বাংলাদেশ থেকে যারা যাচ্ছেন বা যেতে চাচ্ছেন। তাদেরকে উদ্দেশ্য করে বলছিঃ আপনি যদি বর্তমান সিচুয়েশানে ইন্ডিয়াতে যাওয়ার ক্ষেত্রে আপনার কোন আপত্তি থাকে। (কারণ এদের এম্বাসীগুলো কিন্তু ম্যাক্সিমাম ইন্ডিয়াতে)।
ইন্ডিয়াতে যাওয়ার ক্ষেত্রে যদি আপনার আপত্তি থাকে, তাহলে আপনি রোমানিয়াতে এপ্লাই করতে পারেন। এক্ষেত্রে প্রথমদিকে রোমানিয়া যাওয়াটা আপনার জন্য উত্তম সিদ্ধান্ত হতে পারে। কারণ অথোরাইজেশন করে রোমানিয়াতে ভিসা করা যায়।
আলবেনিয়াতে অথোরাইজেশন করে আলবেনিয়া ভিসা করা যায়। তাছাড়া কসোভা ‘তেও অথোরাইজেশন সিস্টেমে ভিসা করা যায়।
বুলগেরিয়া ভিসা পাওয়ার সহজ উপায় হচ্ছে: অথোরাইজেশন পদ্ধতি। আপনি অথোরাইজেশন করে বাংলাদেশ থেকে বুলগেরিয়াতে যেতে পারবেন। তবে কখনো কখনো এম্বাসি’র রিকুয়ার্মেন্ট থাকেঃ আপনাকে স্ব-শরীরে বা ফিজিক্যালি এসে প্রয়োজনীয় ফাইলগুলো জমা করতে হবে।
ক্রোয়েশিয়াতে যেতে হলে আপনাকে অবশ্যই ইন্ডিয়াতে যেতে হবে। কারণ আপনি ক্রোয়েশিয়া যেতে চান তাহলে আপনাকে ইন্ডিয়াতে না গিয়ে ক্রোয়েশিয়াতে আবেদন করার কোন সুযোগ নেই। এবং ক্রোয়েশিয়া তো আবেদন করলে বেশ কিছু রিকোয়ারমেন্ট আছে ,যেটা টোটালি সেপারেশন বা পার্থক্য রয়েছে।
রোমানিয়ায় যাওয়ার চাইতে ক্রোয়েশিয়াতে একটু ব্যতিক্রম কিছু বিষয় আছে। যেমন আপনাকে ক্রোয়েশিয়া তো হচ্ছে সশরীরে দিল্লিতে গিয়ে বা সশরীরে ইন্ডিয়াতে গিয়ে ফাইল জমা করতে হবে। আর ভিসা হয়ে যাওয়ার পরে ম্যানপাওয়ার করার সময়ঃ এক লাখ টাকা আপনাকে ডিপোজিট করতে হবে। অর্থাৎ আপনি যদি ক্রোয়েশিয়াতে যাওয়ার পরে পালিয়ে না যান, তাহলে এই একলক্ষ টাকা ফেরত পাবেন।

অনেকেই আছেন যাদের হচ্ছে খরচ কম মানে বাজেট কম কিন্তু ইউরোপে যেতে চাচ্ছেন। তারা যেটা করতে পারেন সেটা হচ্ছেঃ আপনারা যারা বাংলাদেশ থেকে ইউরোপের পথে ইমিগ্রেন্ট হতে যাচ্ছেন। তারা আলবেনিয়া, কসোভো এগুলোকে পছন্দ করতে পারেন। এখানে খরচ কম হয় অন্যন্য দেশের তুলনায়।
রুমানিয়াতে কম খরচে ভিসা পাওয়া যায়। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে রোমানিয়া একটি ভাইরাল কান্ট্রি হিসেবে পরিণত হয়েছে। ইলেকট্রনিক মিডিয়া, প্রিন্ট মিডিয়া, সার্বিকভাবে সবাই যখন প্রচার-প্রচারণা শুরু করেছে।
তখন থেকে সকলের মধ্যে রোমানিয়ার একটি আগ্রহ প্রকাশ করছে। যার কারণে রোমানিয়াতে এখন খরচ বেড়ে গেছে, আপনার হচ্ছে গিয়ে কাজের চাপ সৃষ্টি হয়েছে। এই জন্য হচ্ছে রোমানিয়াতে এখন খরচ বেশি।
এখন রোমানিয়াতে প্রতিনিয়ত অনেক মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রে রুপান্তর হচ্ছে। একটা সময় রোমানিয়াতে অনেক কাউন্সিলিং করে পাঠানো হতো। যেমনিভাবে বর্তমানে বুলগেরিয়ার জন্য কাউন্সেলিং করা হয়।
তাছাড়া মানুষ সব সময় স্রোতের বিপরীতে চলতে চায় না। ম্যাক্সিমাম মানুষের মধ্যেই গা ভাসায় যদি আপনি চলতে থাকেন, তাহলে আপনি হবেন শক্তিশালী।
সুতরাং যারা রোমানিয়াতে নির্ভেজালে যেতে চান। বা যারা কোন ধরনের ইন্ডিয়াতে যাওয়ার ঝামেলা অথবা বাড়তি খরচ করা এসব যদি দিতে না চান। তাহলে আপনি রোমানিয়াতে পছন্দ করতে পারেন।
যাদের টাকা-পয়সা কোন সমস্যা নাই। ইন্ডিয়াতে যাওয়া কোন সমস্যা না। এক লাখ টাকা ডিপোজিট রাখা সেটা কোন সমস্যা না। তাহলে আপনি ক্রোয়েশিয়ার জন্য চিন্তা করতে পারেন।
আর প্রবাসী ভাইরা যারা আছেন বিশেষ করে মালয়েশিয়া থেকে যদি আসেন। তাহলে রোমানিয়াতে পছন্দ করতে পারেন এবং অন্যান্য দেশে যারা আছেন তারাও রোমানিয়াতে আপনারা আবেদন করতে পারেন। বিশেষ করে প্রবাসী ভাইদের জন্য রোমানিয়া হচ্ছে এখন সবচেয়ে সহজলভ্য। তাদের জন্য খুব দ্রুত ভিসা ডেলিভারি হচ্ছে এবং প্রসেসিং সময় অনেক কম লাগছে।
তবে মালয়েশিয়া ছাড়া অন্যান্য দেশগুলোতে এখন পর্যন্ত অতিরিক্ত কিছু রিকোয়ারমেন্ট লাগে। সেগুলো আপনাকে অবশ্যই পূরণ বা ফিল করতে হবে।
প্রবাসীরা চাইলে রোমানিয়ার বাইরে আপনার যদি পছন্দ থাকেঃ ক্রোয়েশিয়া পছন্দ করতে পারেন। আপনি বুলগেরিয়া কে পছন্দ করতে পারেন। অথবা কসোভো যেতে পারেন।
আমার প্রবাসী ভাইয়েরা তাদের যদি রিকোয়ারমেন্ট সব গুলো ঠিকঠাক থাকে। তাহলে আপনারা সিনজেনের স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, চেক-রিপাবলিক, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, মালটা এসব দেশের ভিসা কিন্তু আপনি বিদেশ থেকে পাবেন।
সুতরাং যাদের সময় আছে হাতে এবং যাদের হচ্ছে গিয়ে কাগজপত্র অ্যারেঞ্জ করা কোনো সমস্যা না। তারা চাইলে সেন্টিনারি দেশগুলোকে ডেসটিনিশন হিসেবে নিতে পারেন। কিন্তু যাদের খরচ কম। স্বল্প বাজেটে ইউরোপে যেতে চাচ্ছেন। তারা অবশ্যই আপনারা রোমানিয়া, ক্রোয়েশিয়া, বুলগেরিয়া, কসোভা, অথবা আলবেনিয়া’তে যান।
Read More: অস্ট্রেলিয়া যাবার সহজ উপায় (অস্ট্রেলিয়া কাজের ভিসা)
তারপর সেখানে গিয়ে পর্যায়ক্রমে সেখানে আপনি থাকেন। কিছু টাকা সঞ্চয় করেন। এরপর একটা সময় সেখান থেকে ইউরোপে বসবাসের জন্য ভিসা আপনি সহজেই বৈধভাবে নিতে পারবেন।
ইউরোপের কোন দেশের ভিসা সহজে পাওয়া যায়? মূলত যারা কোন ধরনের ঝামেলা নিতে চান না, তাদের জন্য রোমানিয়া যাওয়া সহজ এবং উত্তম হবে। কারন রোমানিয়াতে এখন ভালো পরিমাণে ভিসা হচ্ছে। বলতে পারেনঃ হিউজ ভ্যাকেন্সি আছে। তাছাড়া বুলগেরিয়া, ক্রোয়েশিয়াা আছে। সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ আপনার হাতে। যাহোক যদি কোন বিষয়ে জানবার থাকে অনুগ্রহ করে কমেন্ট বক্সে লিখে জানান। ধন্যবাদ।।