দাম না পেয়ে আলু ফেলে দিচ্ছে বাংলাদেশের কৃষক, ক্ষতি ছাড়িয়েছে হাজার কোটি টাকা
ডারউইন, ০৮ মে: রংপুর অঞ্চলে এবার আলুর বাম্পার ফলন হলেও কৃষকের মুখে হাসি নেই। বাজারে দাম ধসে পড়া, হিমাগারে সংরক্ষণ সংকট এবং বৈরী আবহাওয়ায় আলু…
ঢাকা: যুবদল নেতা গোলাম কিবরিয়া হত্যা মামলায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) হেফাজতে থাকা মো. মোক্তার হোসেন (৪০) মারা গেছেন। আজ শুক্রবার (২১ নভেম্বর) এই মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে ডিএমপি। এই ঘটনায় ডিএমপির পক্ষ থেকে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে, যার প্রধান করা হয়েছে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (প্রশাসন) মো. সরওয়ারকে।
গত সোমবার সন্ধ্যায় মিরপুর ১২ নম্বর সেকশনে নিজ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে মুখোশধারী দুর্বৃত্তদের গুলিতে পল্লবী থানা যুবদলের সদস্যসচিব গোলাম কিবরিয়া নিহত হন। তাঁর স্ত্রী সাবিহা আক্তার বাদী হয়ে পল্লবী থানায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। সুষ্ঠু তদন্তের জন্য মামলাটি ডিবিতে হস্তান্তর করা হয়।
ডিএমপি জানায়, ডিবি গতকাল বৃহস্পতিবার শরীয়তপুর জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত নজরুল, মাসুম ও জামানকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানান যে কিবরিয়া হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র-গুলি মোক্তারের হেফাজতে আছে।
গ্রেপ্তারকৃতদের তথ্যের ভিত্তিতে ডিবি গতকাল সন্ধ্যায় পল্লবীর একটি গ্যারেজে অভিযান চালায়। ডিএমপির ভাষ্যমতে, এ সময় মোক্তার পালানোর চেষ্টা করলে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তাঁকে আটক করা হয়। উত্তেজিত জনতা মোক্তারকে মারধর করেন। মোক্তারের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পল্লবীর একটি রিকশা গ্যারেজ থেকে পিস্তলের আটটি গুলি উদ্ধার করে ডিবি।
ডিএমপি গণমাধ্যম বিজ্ঞপ্তিতে মোক্তারের মৃত্যুর বিবরণ দিয়ে বলেছে:
গতকাল দিবাগত রাত দেড়টার দিকে মোক্তার ডিবি কার্যালয়ে অসুস্থবোধ করলে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) নেওয়া হয়। চিকিৎসকেরা ওষুধ দিয়ে তাঁকে ছেড়ে দিলে আবার ডিবি কার্যালয়ে আনা হয়।
আজ (শুক্রবার) সকাল ১০টার দিকে খাবার খেতে ডাকার পরও কোনো সাড়াশব্দ না পাওয়ায় পুলিশ সদস্যরা দ্রুত তাঁকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
মোক্তারের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ডিবি হেফাজতে থাকাকালীন আসামির মৃত্যুতে গঠিত তদন্ত কমিটি তাদের রিপোর্ট জমা দেবে বলে জানিয়েছে ডিএমপি।