জেনে নিন বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তান বিমান ভাড়া কত?
যারা বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানে ভ্রমণ করতে চান তাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তান বিমান ভাড়া। আগে তুলনামূলকভাবে কম ছিল। কিন্তু বর্তমান সময়ে…
বাংলাদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়া কাজের ভিসা নিয়ে কীভাবে যাবেন? বর্তমানে অস্ট্রেলিয়াতে প্রচুর লেবার সংকট দেখা দিয়েছে। এখানে পাঁচ লক্ষ জব ভ্যাকেন্সি এখন খোলা আছে। বড় বড় কোম্পানিতে বিভিন্ন সেক্টরে তাদের আর্জেন্ট কর্মী প্রয়োজন। এই পাঁচ লক্ষ ভ্যাকেন্সি মধ্যে এক ট্রাক ভ্যাকেন্সি শুধু সেনিটাইজেশন বা ক্লিনিং কাজের।
এই ক্লিনিং কাজের জন্য বিভিন্ন কম্পানি আট লক্ষ টাকা স্যালারি দেবার জন্য তারা নিয়মিত প্রস্তুত। আপনাদের বিশ্বাস না হয় তাহলে এই ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখে নিতে পারেন যাদের কোনো কাজের অভিজ্ঞতা নেই এই ভিডিওটি দেখে তাদের পরিবর্তন হতে পারে। সম্পূর্ণ আবেদন প্রসেস এই আর্টিকেলে দেখাবো।
অস্ট্রেলিয়া কাজের ভিসা ২০২৪ আবেদন করার জন্য কয়েকটি বড় বড় কোম্পানীর লিংক নিচে দেওয়া হলোঃ আপনাকে সেখানে গিয়ে অথবা অন্য কোন একটিভ ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
Link for Australian Websites for jobs and Visa:
Link 01: https://etcltd.com.au/job-seekers/looking-for-a-job/
Link 02: https://www.seek.com.au/cleaner-jobs
Link 03: https://au.jora.com/Cleaner-jobs-in-Australia
যারা বাংলাদেশ ইন্ডিয়া থেকে ইন্টার্নেশনাল জব এর জন্য আবেদন করতে চান দেশে যাবেন প্রথমে আপনাকে সেই দেশের ফরমেটে সিভি এবং কভার লেটার বানাতে হবে।
সিভি কভের লেটার যত সাজিয়ে-গুছিয়ে বানাতে পারবেন যখনই তার পাছাটা ততবেশি থাকবে আপনারা যারা অস্ট্রেলিয়ার ভিসার জন্য আবেদন করবেন আপনাদের সিভিটি সুন্দরভাবে বানাবেন।
বাংলাদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়া যেতে আপনার খরচ হবে 80 থেকে 90 হাজার টাকা। যদি সব কিছু নিজে করেন। কোনো কোম্পানিতে যখন তাদের কর্মী প্রয়োজন হয় তারা কখনই টাকার মাধ্যমে ভিসা বিক্রি করে না থেকে 90 হাজার টাকা খরচ হবে আপনার ভিসা কি মেডিকেল ফি এবং বিমান টিকেট।
এজেন্সী গুলা বিভিন্নভাবে কথার মাধ্যমে আপনাদের থেকে বড় অংশের টাকা নিয়ে থাকে। তবে সাধারণত এজেন্সির মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া যেতে খরচ হবে ১২ থেকে ১৪ লক্ষ্য টাকা।
একজন এজেন্সি কিছু টেকনিক ইউজ করেন যেটা সাধারণ মানুষ জানে না। তারা টেকনিক টি ইউজ করে জব অফার লেটার ম্যানেজ করার জন্য। বিভিন্ন দেশের কোম্পানিগুলো অনলাইনের মাধ্যমে তার সার্চ করে সেখানে সেই কোম্পানি গুলো কি কি জব অফার পাবলিশ করেছে। এবং সেই পাবলিশ করা জব দেস্ক্রিপশন গুলো খুব ভালো করে পড়ে।
একই রকম অভিজ্ঞতার কথা আপনাদের সিভিতে এড করে তারা আপনাদের স্মৃতিগুলো সাবমিট করে। অস্ট্রেলিয়া বলেন বলেন এই দেশগুলোর মধ্যে কোন কোম্পানি টাকার মাধ্যমে তারা ভিসা ব্যক্তি করেনা যে এরকম কখনোই না।
এখন আপনাদের অস্ট্রেলিয়া ভিসা আবেদন করার সিস্টেমটি দেখাবোঃ
এই ভিসা আবেদন করার জন্য আপনার কোন অভিজ্ঞতা বা আইএলটিএস লাগবেনা। যেটা লাগবে সেটা হচ্ছে সুন্দর করে সাজিয়ে গুছিয়ে আপনার সিভি এবং কাভার লেটার বানিয়ে নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে চলে আসুন।
তারপর আপনার পছন্দমতো প্রতিটি ক্লিনার জবের মধ্যে গিয়ে আপনার সিভি এবং কভার লেটার টি সাবমিট করুন।
এই কোম্পানি থেকে স্পনসর্শিপ লেটার পেলে সেই লেটার আপনার পাসপোর্ট মেডিকেল ফিটনেস পেপার নিয়ে বিএসএফ সেন্টারে বায়োমেট্রিক দিয়ে ভিসা দিতে পারবেন অস্ট্রেলিয়ার। বাংলাদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়ার ভিসা আপনি বিএসএফ গ্লোবাল থেকে নিতে পারবেন।
অস্ট্রেলিয়াতে যাবার পর মাসে 8 লক্ষ টাকা না হোক 45 লক্ষ টাকা মিনিমাম ইনকাম করতে পারবেন। এর পাশাপাশি সবথেকে যে বড় বেনিফিট কি হচ্ছে আপনি সেখানে যাবার পর যতদিন থাকবেন আপনার হেলথকেয়ার আপনি যদি অসুস্থ হওয়ার আপনার সম্পূর্ণ খরচ অস্ট্রেলিয়ান সরকার বহন করবে।
আরও পড়ুনঃ বোয়েসেলের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়াতে নিয়োগ
অস্ট্রেলিয়াতে দুই ধরনের ভিসা প্রবাহিত করে থাকেঃ ০১) দুই বছর মেয়াদী এবং ০২) চার বছর মেয়াদি। আপনারা যারা কোন কাজের অভিজ্ঞতা ছাড়া যাবেন, তাদেরকে 2 বছরের ভিসা দিবে। এবং আপনি সেখানে গিয়ে ছয় (০৬ মাস) পর আপনার ফ্যামিলিকে অস্ট্রেলিয়া নিয়ে যেতে পারবেন।
আপনি যদি সেখানে ০৪ বছর থাকতে পারেন, তাহলে অস্ট্রেলিয়ান সিটিজেনশিপ জন্য আবেদন করতে পারবেন। অস্ট্রেলিয়া কাজের ভিসা ২০২৫ সংক্রান্ত আরো কিছু জানার থাকলে কমেন্টে বলতে পারেন।