সিরিয়ার আইএস শিবির ছাড়লেন আরও অস্ট্রেলিয়ান নারী-শিশু
ডারউইন, ২২ মে: উত্তর-পূর্ব সিরিয়ার আল-রোজ শিবির থেকে বৃহস্পতিবার (স্থানীয় সময়) আরও একদল অস্ট্রেলিয়ান নারী ও শিশু বাসে করে শিবির ত্যাগ করেছে। এই দৃশ্যটি অস্ট্রেলিয়ার…
বাণী অর্চনার মধ্য দিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার অস্ট্রেলিয়া সিডনির বিভিন্ন স্থানে বিদ্যাদেবী সরস্বতীর পূজা উদযাপন হয়েছে। বিশেষ করেনতুন প্রজন্মের সংগঠন ইলোওয়ারা শোলহ্যাভেন বেঙ্গলি অ্যাসোসিয়েশন, আনন্দধারা, আগমনী ও শঙ্খনাদসহ আরো কয়েকটিসংগঠন তিথি নক্ষত্র মেনে বিদ্যা ও জ্ঞানের দেবী সরস্বতী অর্চনার আয়োজন করে।

অস্ট্রেলিয়ার ওলংগংয়ে বাংলাদেশিদের সরস্বতী পূজা উদযাপন
বৃহস্পতিবার সকালে উপবাস থেকে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণের মাধ্যমে এদিন দেবী সরস্বতী পূজায় অঞ্জলি ও আরাধনায় অংশ নেন ভক্তরা।

ওলংগংয়ে বাংলাদেশিদের সরস্বতী পূজা উদযাপন
অস্ট্রেলিয়ায় দিনটি সরকারী ছুটির দিন থাকাতে প্রচুর ভক্তের সমাগম হয়।

ওলংগংয়ে বাংলাদেশিদের সরস্বতী পূজা উদযাপন
শুক্লপক্ষের শ্রী পঞ্চমী তিথিত শ্রী শ্রী সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে ওলংগংয়ে ফিগট্রি কমিউনিটি হল, আনন্দধারা, কিয়ার্ণসের কিয়ার্ণস্কমিউনিটি হল, আগমনী অস্ট্রেলিয়া, ক্যাম্বেলটাউন সিভিক সেন্টার ও শঙ্খনাদ, ইষ্ট ক্যাম্বেলটাউন কমিউনিটি হলে এ পূঁজার আয়োজনকরে।

ওলংগংয়ে বাংলাদেশিদের সরস্বতী পূজা উদযাপন
বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থে সরস্বতীর মাহাত্ম্য যেভাবেই বা যে রূপেই তুলে ধরা হোক না কেন, বাঙালি হিন্দু সংস্কৃতিতে সরস্বতীকে বিদ্যার দেবীহিসাবে পূজা করা হয়ে থাকে। বিদ্যার দেবী মানুষকে আলোকিত করে, মনুষত্বের চোখ খুলে দেয়।

ওলংগংয়ে বাংলাদেশিদের সরস্বতী পূজা উদযাপন
হিন্দু সম্প্রদায় সরস্বতীর যে মূর্তি পূজা করে সেই সরস্বতীর রূপ দ্বিভূজা, শ্বেত বরণী, শ্বেতাম্বরা, শ্বেতদল বাসিনী, শ্বেত হংসবিহারিণী ওবীণা পুস্তক– কমলধারিণী।

ওলংগংয়ে বাংলাদেশিদের সরস্বতী পূজা উদযাপন
সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীরা তাদের মনের সকল অন্ধকার, অজ্ঞতা দূর করার জন্য বিদ্যা দেবীর কাছে প্রার্থনা করেন সুশিক্ষায় শিক্ষিতহওয়া তথা মানবিক হওয়ার জন্য।


ওলংগংয়ে বাংলাদেশিদের সরস্বতী পূজা উদযাপন
এ দিনটিতে ভক্তি ও ভাব গম্ভীর্যের সাথে দেবীর পূজা অর্চনা হয়। ছোট বড় সবাই মিলে পূরোহিতের জলদগম্ভীর মন্ত্রের সাথে কন্ঠ মিলিয়েবিদ্যা ও জ্ঞান লাভের মানসে দেবীর পাদমুলে পুষ্প স্তবক অর্পণ ও বিদ্যা প্রার্থনা করে। এইদিনে সবাই শ্বেত শুভ্র বসন পরিধান করে পূজামন্ডপে এসে ধুপ দ্বীপ নৈবদ্য আর ঢাকের বাদ্যে দেবীর আহবান জানায়।
পাশাপাশি পূঁজার অবকাশে সবাই মিলন মেলায় একত্রিত হয়ে কুশল ও শুভেচ্ছা বিনিময় করে। আগত সব ভক্তকে পূঁজার প্রসাদ, মধ্যাহ্ন ভোজ ও নৈশভোজে আপ্যায়িত করা হয়। দেয়া হয় শিশুদের হাতে খড়ি।

অন্যান্য সংগঠন যারা এইদিন পূজা করতে পারেনি তারা যথারীতি সপ্তাহান্তে অর্থাৎ শনি অথবা রবিবারে দেবীর আরাধনা করবেন।

ওলংগংয়ে বাংলাদেশিদের সরস্বতী পূজা উদযাপন
বাণী অর্চনা, নৃত্য,শঙ্খ ধ্বনি, ভক্তি সংগীত, শিশুদের ছবি আঁকার প্রতিযোগিতা আর প্রসাদ বিতরণের মধ্য দিয়ে শেষ হয় পূজার আনুষ্ঠানিকতা।