হঠাৎ সমুদ্রের জলে তলিয়ে গেলেন রাহুল—কী হয়েছিল সেদিন বিকেলে?
ডারউইন, ৩০ মার্চ: রোববারের সেই বিকেলটা ছিল একেবারেই সাধারণ। দিঘা সংলগ্ন তালসারি সৈকতে চলছিল ধারাবাহিকের শুটিং। ইউনিটের সদস্যদের কোলাহল, ক্যামেরার আলো, সংলাপের রিহার্সাল—সব মিলিয়ে ছিল…
ঢাকা: বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়ক মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন ওরফে সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া জোরদার হচ্ছে। সর্বশেষ নির্দেশে, মামলার গুরুত্বপূর্ণ আসামি সালমান শাহর স্ত্রী সামিরা হকের মা লতিফা হক লিও ওরফে লুসির দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন ঢাকার একটি আদালত।
বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) আদালত সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রমনা থানার পুলিশ পরিদর্শক আতিকুল আলম খন্দকারের আবেদনের ভিত্তিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুজ্জামান এই নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।
আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন যে, অভিযুক্ত লুসিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য প্রক্রিয়া চলছে। তিনি দেশ ছেড়ে গেলে তদন্তে চরম বিঘ্ন সৃষ্টি হতে পারে। তাই মামলার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত আসামির বিদেশ গমন রহিতকল্পে ‘স্টপ লিস্ট’-এ অন্তর্ভুক্ত করার জন্য আদালতের অনুমতির বিশেষ প্রয়োজন। আদালত এই আবেদন পর্যালোচনা করে লুসির দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেন।
১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর: সালমান শাহ মারা যান। তাঁর বাবা প্রয়াত কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেন।
১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই: বাবা মামলাটিকে হত্যা মামলায় রূপান্তরের আবেদন করেন।
২০ অক্টোবর (সর্বশেষ): ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক বাদীপক্ষের রিভিশন মঞ্জুর করে মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন।
২১ অক্টোবর: সালমান শাহর মামা মোহাম্মদ আলমগীর বাদী হয়ে রাজধানীর রমনা থানায় সামীরা হকসহ ১১ জনকে আসামি করে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলায় সামিরা হক ছাড়াও শিল্পপতি আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুছি, খলনায়ক ডন, মে-ফেয়ার বিউটি সেন্টারের রুবিসহ মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে।
বাদী মোহাম্মদ আলমগীর অভিযোগে উল্লেখ করেছেন, ঘটনার দিন সালমান শাহর গলায় দড়ির দাগ ও মুখমণ্ডলে নীলচে দাগ ছিল। তাঁর বাবা কমর উদ্দীন চৌধুরী মৃত্যুর আগে থেকেই ছেলের মৃত্যুকে হত্যা বলে সন্দেহ করতেন। বাবার মৃত্যুর পর মামা আলমগীর মামলাটি পরিচালনা করছেন।