হঠাৎ সমুদ্রের জলে তলিয়ে গেলেন রাহুল—কী হয়েছিল সেদিন বিকেলে?
ডারউইন, ৩০ মার্চ: রোববারের সেই বিকেলটা ছিল একেবারেই সাধারণ। দিঘা সংলগ্ন তালসারি সৈকতে চলছিল ধারাবাহিকের শুটিং। ইউনিটের সদস্যদের কোলাহল, ক্যামেরার আলো, সংলাপের রিহার্সাল—সব মিলিয়ে ছিল…
বিনোদন : পর্দার গ্ল্যামার আর আভিজাত্যের আড়ালে কিম কর্দাশিয়ানের জীবনেও রয়েছে বড় আক্ষেপের গল্প। বছর শেষে নিজের ফেলে আসা দিনগুলো ফিরে দেখতে গিয়ে ফের কান্নায় ভেঙে পড়লেন এই হলিউড অভিনেত্রী ও রিয়েলিটি শো তারকা। কারণটা সেই পুরোনো—আইন পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়া।
কিম কর্দাশিয়ান কেবল অভিনয়েই সীমাবদ্ধ থাকতে চাননি, পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছিলেন আইন বিষয়ে। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। গত ৭ নভেম্বর তাঁর পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হলে দেখা যায় তিনি অকৃতকার্য হয়েছেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই অপ্রিয় স্মৃতি রোমন্থন করতে গিয়ে কিম বলেন:
“পরীক্ষা দিয়ে আসার পরই মন কু-ডাক দিচ্ছিল। আঁচ করেছিলাম খুব খারাপ কিছু ঘটতে চলেছে। কারণ উত্তরগুলো আশানুরূপ লিখতে পারিনি। তবুও মনে মনে অলৌকিক কিছুর আশা করেছিলাম। কিন্তু বিকেল পাঁচটায় রেজাল্ট আসতেই দেখলাম, যা ভয় পেয়েছিলাম সেটাই ঘটেছে।”
কথাগুলো বলতে বলতে আবারও চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি এই অভিনেত্রী।
সাক্ষাৎকারে কিমের পাশেই বসা ছিলেন মা ক্রিস জেনার। তিনি কিমের পক্ষ নিয়ে জানান, কিম প্রচণ্ড পরিশ্রম করেছিলেন। তবে একই সময়ে একটি টিভি শো-এর শুটিং চলায় দুই দিকে তাল মেলানো অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। একদিকে শো-এর সংলাপ মুখস্থ করা আর অন্যদিকে আইনের জটিল বই পড়া—এই দ্বিমুখী চাপে পড়েই মূলত কিমের এই অকৃতকার্যতা।
কিমের এই অকপট স্বীকারোক্তি ভক্তদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। অনেকেই তাঁর এই চেষ্টার প্রশংসা করেছেন, আবার অনেকে মনে করছেন ক্যারিয়ারের মধ্যগগনে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া কিমের জন্য সত্যিই একটি বড় চ্যালেঞ্জ।