বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক প্রবীণ রাজনীতিক তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন
ডারউইন, ০১ জুন: বাংলাদেশের প্রবীণ রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন। উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম এই সংগঠক আজ সোমবার বেলা সাড়ে তিনটায় রাজধানীর স্কয়ার…
ঢাকা ২০২৫ : সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ ছয় অভিযুক্তের জন্য এক যুগান্তকারী স্বস্তি নিয়ে এলো দেশের সর্বোচ্চ আদালত। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিচারিক আদালত ও হাইকোর্টের দেওয়া সাজার রায় বাতিল করে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়েছে।
প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের আপিল বেঞ্চ গত ১৫ জানুয়ারি সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে এই রায় দিয়েছিলেন। সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে ৫৯ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়টি গত ৪ নভেম্বর প্রকাশ করা হয়েছে।
পূর্ণাঙ্গ রায়ে বলা হয়েছে, সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে সব আপিল মঞ্জুর করা হলো এবং সে অনুসারে বিচারিক আদালত ও হাইকোর্ট বিভাগের উভয় রায় বাতিল করা হলো। এর ফলে সব আপিলকারীর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের জন্য তারা দোষী সাব্যস্ত না হয়ে সম্পূর্ণ খালাস পেলেন।
রায়ে আরও উল্লেখ করা হয়, এই কার্যধারা থেকে প্রতীয়মান হয় যে এক্ষেত্রে আইনের এমন অপপ্রয়োগ হয়েছে, যা বিদ্বেষপ্রসূত প্রসিকিউশনের শামিল। এই রায় অন্য দোষী সাব্যস্ত হওয়া, যারা আপিল করেননি, তাদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য (বিস্তৃত) হবে। এর ফলে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ যারা আপিল করতে পারেননি, তারাও খালাস পেলেন।
আপিল বিভাগের এই সিদ্ধান্তের ফলে, “আপিলকারী ও অন্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের মর্যাদা পুনরুদ্ধার ও তারা যে নির্দোষ, তা আবার নিশ্চিত করবে এবং একইভাবে তাদের বিরুদ্ধে শুরু করা অযৌক্তিক কার্যধারার অবসান ঘটাবে।”
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) খালেদা জিয়াসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই মামলাটি করেছিল।
বিচারিক আদালতের রায় (২০১৮, ৮ ফেব্রুয়ারি): বিশেষ জজ আদালত-৫ খালেদা জিয়াকে ৫ বছর এবং তারেক রহমানসহ পাঁচজনকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেন।
হাইকোর্টের রায় (২০১৮, ৩০ অক্টোবর): হাইকোর্ট খালেদা জিয়ার সাজা বাড়িয়ে ১০ বছর কারাদণ্ড দেন এবং অন্য দুই আপিলকারী কাজী সালিমুল হক কামাল ও ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদের ১০ বছর করে কারাদণ্ড বহাল রাখেন।
বিচারিক আদালত ও হাইকোর্টের এই সাজার বিরুদ্ধে খালেদা জিয়াসহ অন্য অভিযুক্তরা গত বছর পৃথক আপিল করেছিলেন। সেই আপিল মঞ্জুর করেই সর্বোচ্চ আদালত চূড়ান্ত রায় দিল।