স্বর্ণ ও রুপার বাজারে ধস
রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছানোর পর স্বর্ণ ও রুপার দামে বড় পতন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতি ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত বিশ্লেষণ।
অর্থ ও বাণিজ্য প্রতিবেদক : দেশের রপ্তানি খাতকে বৈশ্বিক অনলাইন মার্কেটপ্লেসের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে অ্যামাজন, আলিবাবা, ইবে সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সরাসরি বিদেশে পণ্য বিক্রির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৪ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করা হয়।
বি২বি২সি কাঠামোর অধীনে রপ্তানি: কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, অনলাইনভিত্তিক বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ বাড়াতে এই নীতিগত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আন্তঃসীমান্ত ই-কমার্সকে সহজ ও কার্যকর করার লক্ষ্যে বিজনেস-টু-বিজনেস-টু-কনজিউমার (বি২বি২সি) কাঠামোর অধীনে রপ্তানি করার অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
সার্কুলার অনুযায়ী, এখন থেকে অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলো এমন রপ্তানি লেনদেন প্রক্রিয়াজাত করতে পারবে, যেখানে বিদেশি কনসাইনি চূড়ান্ত ক্রেতা না হয়ে মধ্যবর্তী প্ল্যাটফর্ম বা ওয়্যারহাউজ হিসেবে কাজ করবে।
রপ্তানিকারকদের সংশ্লিষ্ট বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম অথবা ওয়্যারহাউজে তাদের নিবন্ধনের প্রমাণ এডি ব্যাংকে জমা দিতে হবে।
বি২বি২সি কাঠামোতে প্রচলিত বিক্রয় চুক্তি না থাকায়, প্রফর্মা ইনভয়েসের ভিত্তিতেই রপ্তানি পণ্যের ন্যায্যমূল্য ঘোষণা করা যাবে।
কনসাইনি যদি শুধু সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হয়, তবে তাদের নামে প্রস্তুত করা শিপিং ডকুমেন্টও ব্যাংক গ্রহণ করতে পারবে।
রপ্তানি আয়ের ক্ষেত্রেও সহজীকরণ আনা হয়েছে। অর্জিত অর্থ স্বাভাবিক ব্যাংকিং চ্যানেলের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সার্ভিস অপারেটরের মাধ্যমেও গ্রহণযোগ্য হবে। বিভিন্ন চালানের অর্থ একত্রে এলে ব্যাংকগুলো ‘ফার্স্ট-ইন, ফার্স্ট-আউট’ নীতিতে রপ্তানি আয় সমন্বয় করতে পারবে।
খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, এই সিদ্ধান্ত ক্ষুদ্র ও মাঝারি রপ্তানিকারকদের জন্য নতুন বাজার উন্মুক্ত করবে এবং বৈশ্বিক অনলাইন মার্কেটপ্লেসে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে।