বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক প্রবীণ রাজনীতিক তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন
ডারউইন, ০১ জুন: বাংলাদেশের প্রবীণ রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন। উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম এই সংগঠক আজ সোমবার বেলা সাড়ে তিনটায় রাজধানীর স্কয়ার…
জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের বিষয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আগামী তিন থেকে চার দিনের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে বলে জানিয়েছেন আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে সরকারের নেওয়া সিদ্ধান্ত দেশের সব রাজনৈতিক দল মেনে নেবে।
মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীতে এক মতবিনিময়সভায় আইন উপদেষ্টা দেশের সংস্কার প্রক্রিয়া এবং সাংবিধানিক বিষয় নিয়ে এসব কথা বলেন।
রাতারাতি সংস্কারের চ্যালেঞ্জ: দেশের সংস্কারপ্রক্রিয়া নিয়ে চলমান বিতর্কের জবাবে আইন উপদেষ্টা বলেন, রাতারাতি সব সংস্কার শেষ করা সম্ভব নয় এবং এত বড় ধরনের সংস্কার বাস্তবে সহজসাধ্যও নয়। তিনি ধীরে ধীরে সংস্কার প্রক্রিয়ার ওপর জোর দেন।
“আমরা যখন অ্যাকটিভিজম করেছি তখন ভেবেছি কত সহজ, কিন্তু এখন বুঝতে পারছি কত কঠিন… সবাই মনে করেন সব সংস্কার এখনই করে ফেলতে হবে। বিষয়টা এত সহজ নয়।”
আসিফ নজরুল প্রশ্ন তোলেন, “সব সংস্কার যেন সংবিধানেই আটকে গেছে। অন্য কোনো সংস্কার কারো চোখেই পড়ে না।” তিনি জোর দিয়ে বলেন, সংবিধান কোনো ম্যাজিক নয়; রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং জনগণের অভ্যাস পরিবর্তন না হলে কোনো কিছু পরিবর্তন হবে না।
বিচার বিভাগের সংস্কার: বিচার বিভাগের সংস্কার প্রসঙ্গে আইন উপদেষ্টা দাবি করেন, বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের দেওয়া বেশির ভাগ প্রস্তাবই ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে।
“বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের দেওয়া ৭০-৮০ ভাগ সংস্কার প্রস্তাব ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন হয়ে গেছে। অথচ অপপ্রচার করে বলা হয় কোথায় সংস্কার, কোথায় সংস্কার?”
ভবিষ্যৎ সরকারের কাছে অনুরোধ: আইন উপদেষ্টা ভবিষ্যতের নির্বাচিত সরকারের কাছে একটি অনুরোধ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, তাঁদের মধ্যে একটি ভীতি কাজ করে যে নির্বাচিত সরকার এই সংস্কারগুলো ধরে রাখবে কি না। তিনি নতুন সরকারের প্রতি অনুরোধ জানান, “যারা আসবেন তাদের কাছে অনুরোধ, সংস্কারগুলো ধরে রাখবেন। আরো শক্ত অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার অনুরোধ।”
সাংবিধানিক ব্যর্থতার একটি উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, “সংবিধানে তো লেখা আছে রাষ্ট্রপতি স্বাধীনভাবে প্রধান বিচারতি নিয়োগ দেবেন। কখনো কি হয়েছে?”