বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক প্রবীণ রাজনীতিক তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন
ডারউইন, ০১ জুন: বাংলাদেশের প্রবীণ রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন। উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম এই সংগঠক আজ সোমবার বেলা সাড়ে তিনটায় রাজধানীর স্কয়ার…
ডারবিন, ১২ আগস্ট—
ভোটে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতা রোধে ‘না ভোট’ ফেরানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এলক্ষ্যে সংশোধনী এনে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২- এর খসড়া চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
এছাড়া পুরো আসনের ফল বাতিল করার ক্ষমতা ফিরিয়েছে ইসি।
সোমবার কমিশন বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানিয়েছে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
তিনি বলেন, “কোন প্রার্থীর বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকলেও ভোট আয়োজনের বিধান রাখা হয়েছে সংশোধিত আরপিওতে। এ ক্ষেত্রে প্রার্থীর বিপরীতে রাখা হয়েছে ‘না ভোট’।”
সানাউল্লাহ বলেন, “নির্বাচনে নতুন ‘না ভোট’ বিধান করা হয়েছে, যেখানে বিনা ভোটে একজন প্রার্থী নির্বাচিত হবেন না। কোনো কনস্টিটিউয়েন্সিতে যদি মাত্র একজন প্রার্থী হয়, তাকে নির্বাচনে যেতে হবে এবং ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে। যদি দ্বিতীয় দফায়ও ভোট না হয়, তখন তাকে নির্বাচিত ধরা হবে।”
২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে নবম সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশের নাগরিকরা প্রথমবারের মতো ‘না ভোট’ দেওয়ার সুযোগ পায়।
ওই নির্বাচনে মোট তিন লাখ ৮১ হাজার ৯২৪ জন ‘না’ ভোট দিয়েছিলেন। ‘না’ ভোটের এই পরিমাণ ছিল বাক্সে পড়া মোট ভোটের শূন্য দশমিক ৫৫ শতাংশ।
তখন গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ৪০(ক) ধারায় বলা ছিল, যদি ‘না ভোট’ সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া প্রার্থীর ভোটকে ছাড়িয়ে যায়; সেক্ষেত্রে নতুন করে নির্বাচন হবে।
আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধন করা হলে তাতে ‘না’ ভোটের বিধান বাদ পড়ে।
২০১৫ সালে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধনের জন্য মাঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতামত বিনিময়েও ‘না’ ভোট চালু করার প্রস্তাব উঠে এসেছিল।
নির্বাচন স্থগিত ও ফলাফল বাতিল ক্ষমতা পুনঃস্থাপন
কমিশনার সানাউল্লাহ বলেন, “আরপিওর মাধ্যমে নির্বাচন স্থগিত ও ফলাফল বাতিল করার ক্ষমতা পুনঃস্থাপন করা হয়েছে। কমিশন প্রয়োজনীয় পরিস্থিতিতে এক বা একাধিক বা সমস্ত কনস্টিটিউয়েন্সির নির্বাচন স্থগিত বা ফলাফল বাতিল করতে পারবে। আচরণবিধি লঙ্ঘনের জন্য শাস্তি কার্যকর করার বিধান সন্নিবেশ করা হয়েছে এবং এটি বিভিন্ন মাধ্যমে প্রয়োগ করা যাবে। গণমাধ্যম কর্মীরা ভোট গণনার পুরো সময় উপস্থিত থাকতে পারবেন, তবে মাঝপথে বের হয়ে যাওয়া যাবে না।”
নির্বাচন বাতিল করা সংক্রান্ত ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া হয় গণপ্রতনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) ৯১ ধারায়।
২০২৩ সালের জুলাই মাসে আরপিওর এই ধারায় সংশোধনী এনে সংসদে বিল পাস আনা হয়। তাতে কমিশনের কিছু ক্ষমতা খর্ব করা হয়েছিল।
বিদ্যমান আইন অনুযায়ী, কোনো ভোটকেন্দ্রের ফলাফল বল প্রয়োগ, ভীতি প্রদর্শন, কারসাজি বা অন্যকোনো কারণে পক্ষপাতদুষ্ট হয়েছে মনে করলে নির্বাচন কমিশন শুধু নির্দিষ্ট ভোটকেন্দ্রের ফলাফল বাতিল করে নতুন নির্বাচন দিতে পারে।
আগে ৯১ (এ) উপধারায় বলা ছিল, নির্বাচন কমিশন যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে নির্বাচনে বল প্রয়োগ, ভীতি প্রদর্শন, চাপ সৃষ্টিসহ বিভিন্ন বিরাজমান অপকর্মের কারণে যুক্তিযুক্ত, ন্যায়সংগত ও আইনানুগভাবে নির্বাচন পরিচালনা নিশ্চিত করতে সক্ষম হবে না, তাহলে যেকোনো ভোটকেন্দ্র বা ক্ষেত্রমত সম্পূর্ণ নির্বাচনি এলাকায় নির্বাচনের যেকোনো পর্যায়ে ভোট গ্রহণসহ নির্বাচনী কার্যক্রম বন্ধ করতে পারবে।
সংশোধনীতে আরপিওর ৯১ ধারার (এ) উপধারায় ‘ইলেকশন’ শব্দের বদলে ‘পোলিং’ শব্দ প্রতিস্থাপন করা হয়। তখন নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা বলেন, ‘ইলেকশন’ শব্দ দিয়ে পুরো নির্বাচনপ্রক্রিয়া বোঝায়। অর্থাৎ তফসিল ঘোষণা থেকে শুরু করে ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত সময়টা হল ‘ইলেকশন’। আর ‘পোলিং’ হল শুধু ভোটের দিন। ‘ইলেকশন’ শব্দটি থাকলে ভোটের আগেও পরিস্থিতি বিবেচনা করে নির্বাচন কমিশন ভোট বন্ধ করতে পারত।
কিন্তু সংশোধনী পাসের কারণে কমিশনের ক্ষমতা খর্ব হয়। সে শুধু ভোটের দিন ভোট স্থগিত করতে পারবে।
নির্বাচনী প্রচারণা নিয়ন্ত্রণ ও এআই ব্যবহার
নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ বলেন, “বিলবোর্ডে শুধুমাত্র যেগুলো ডিজিটাল বিলবোর্ড সেগুলোতে আলোর ব্যবহার করা যাবে, বিদ্যুতের ব্যবহার করা যাবে। তাছাড়া আলোকসজ্জার উপর যে নিষেধাজ্ঞা ছিল, সেটা বলবৎ থাকবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ইত্যাদি ব্যবহার করে যেকোনো ধরনের মিথ্যাচার বা অপবাদ ছড়ানো ইত্যাদি ব্যাপারে প্রার্থী, দল, সংস্থা, মিডিয়া সংস্থা সবার ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রভিশন করা হয়েছে।”
আচরণবিধি ও গণমাধ্যম কর্মীদের উপস্থিতি
এই কমিশনার বলেন, “আচরণবিধি লঙ্ঘনের জন্য শাস্তি কার্যকরী যে বিধান সেটা সন্নিবেশ করা হয়েছে। অর্থাৎ আরপিওতে এটার বিধান করা হয়েছে যাতে করে আচরণ বিধিটা যথাযথভাবে প্রয়োগ করা যায় এবং এটা যেন একাধিক মাধ্যমে প্রয়োগ করা যায়।”
“গণমাধ্যম কর্মীরা ভোট গণনার সময় উপস্থিত থাকতে পারবে, তবে শর্ত একই থাকবে সবার জন্য, যে গণনা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত যারা থাকতে চাইবেন, তাদেরকে পুরাটা সময়ব্যাপী থাকতে হবে। মাঝপথে বের হয়ে যাওয়া যাবে না।”
জোটবদ্ধ দল ও প্রতীক বিষয়ক সংশোধনী
নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ বলেন, “আরপিওতে দুইটি বিষয় আছে। প্রথম, জোটবদ্ধ রাজনৈতিক দলগুলো বড় দলের সাথে ছোট দলগুলো জোট করে, সেই ছোট দল বড় দলের প্রতিনিধি হিসেবে নয়, তাদের নিজস্ব প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করবে। এটি আরপিওতে এড করা হয়েছে।”
তিনি বলেন, “জোটগত নির্বাচন থেকে কাউকে নিরুৎসাহিত করা হয় না। এটা রাজনৈতিক স্বাধীনতা। যারা এককভাবে দলীয়ভাবে নির্বাচন করবে, কিংবা জোটবদ্ধভাবে করবে, সেই স্বাধীনতা রক্ষা পাবে। সংস্কার কমিশনের প্রস্তাব অনুসারে জোটবদ্ধ হলেও দলগুলো তাদের নিজস্ব রিজার্ভ প্রতীক ব্যবহার করবে, কোনো একটি প্রতীকের ব্যবহার বাধ্যতামূলক নয়।”
প্রার্থীসংখ্যা ও নির্বাচন
“নির্বাচন কমিশন প্রার্থীর সংখ্যা কত আসনে হবে তা নিয়ে এখনই সিদ্ধান্ত নিচ্ছে না। এটি ঐকমত্যের বিষয়। যেসব সংশোধনী ঐক্যমতের রিলেশন নেই, সেগুলো মন্ত্রণালয়কে ইতিপূর্বে জানানো হয়েছে। নির্বাচনী সংশোধনী ড্রাফট শিগগিরিই ফাইনাল করে পাঠানো হবে।”
নির্বাচনী ব্যয় ও অনুদানের নিয়মাবলী
প্রার্থীদেরর ব্যয় অডিট আরও সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে জানিয়ে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, “ক্যান্ডিডেটদের যে ব্যয়, এই ব্যয়ের অডিটের ব্যাপারটাকে আরও সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে এবং আরেকটু একনিষ্ঠভাবে দেখার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এই ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন যেগুলো মনে করে যে এগুলোতে ব্যয় হয়ে থাকতে পারে সেগুলোকেই অডিট করবে।”
তিনি বলেন, “ইতিপূর্বে রাজনৈতিক দলগুলো ব্যক্তি পর্যায় থেকে ১০ লাখ পর্যন্ত এবং প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে ৫০ লাখ পর্যন্ত অনুদান বা ডোনেশন নিতে পারত। এটাকে ৫০ লাখ করা হয়েছে উভয় ক্ষেত্রেই। তবে শর্ত দেওয়া হয়েছে যে ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে এই ট্রানজেকশনটা হতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ট্যাক্স রিটার্নে এটা দেখাতে হবে।”
হলফনামায় মিথ্যা তথ্যের ব্যবস্থা
হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দিলে প্রার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়ে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, “হলফনামায় যদি কেউ মিথ্যাচার করে বা মিথ্যা তথ্য দেয়, তাহলে সেটার ব্যাপারে তদন্ত করে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য আরও সুনির্দিষ্টভাবে আরপিওতে সন্নিবেশ করা হয়েছে। এই সময়কাল হবে যে অফিসের জন্য উনি নির্বাচনটা করছেন, সেই অফিসের মেয়াদকাল পর্যন্ত। এরপরে স্বাভাবিক ফৌজদারি মামলা অন্যভাবে হতে পারে।”
“অর্থাৎ এমপি যে মেয়াদকালের জন্য নির্বাচিত হলেন, এই অফিসের জন্যই তো নির্বাচনটা করেছেন এবং এই অফিসের নির্বাচনের জন্যই তিনি হলফনামাটা দিয়েছেন। সুতরাং এই সময়কালে যদি হলফনামায় কোন ধরনের অতিরিক্ত বিচ্যুতি বা মিথ্যা তথ্য থাকে, তাহলে তদন্ত করে রিকল করে প্রয়োজনে তার ক্যান্ডিডেচার ক্যান্সেল করা হবে এবং নির্বাচিত এমপিও আইনের আওতায় আসতে পারেন এবং তার পথ চলে যেতে পারে। তবে এই পাঁচ বছরের পরে গিয়ে আর নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ারে থাকবে না।”
যুক্ত হল দলের কার্যক্রম ‘স্থগিত’
আরপিওতে দলের নিবন্ধন বাতিলের বিষয়টি থাকলেও ছিল না স্থগিয়ের বিধান। সংশোধিত আরপিওতে নিবন্ধিত দলের কার্যক্রম স্থগিত এবং বাতিলের বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে জানিয়ে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, “কোনো রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম স্থগিত হলে বা নিষিদ্ধ হলে নিবন্ধন স্থগিত করার ব্যাপারটি স্পষ্ট করে আরপিওতে যুক্ত করা হয়েছে।”
আরপিও চূড়ান্ত, পরে যুক্ত হবে ঐকমত্য কমিশনের সুপারিশ
বর্তমান কমিশন দায়িত্ব নেওয়ার পর ইভিএম ব্যবহার করবে না বলে জানিয়ে দিয়েছিল। এখন আরপিও থেকে তা বাদ দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ বলেন, “ইভিএম ব্যবহার হবে না। তাই যাবতীয় বিধান বিলোপ করা হয়েছে আরপিও সংস্কারের প্রস্তাবে। নির্বাচন কর্মকর্তাদের দায়িত্বে অবহেলার শাস্তি সুস্পষ্ট করা হয়েছে। তিন কর্ম দিবসের তদন্ত ও ব্যবস্থা ইসিকে জানাতে হবে তিন দিনের মধ্যে।”
তিনি বলেন, “সরকারের সায় পেলে আরপিও সংশোধন অধ্যাদেশ জারি হবে। সেই সঙ্গে ঐকমত্য কমিশনের কোনো সুপারিশ থাকলে তা পরে যুক্ত করা হবে।”
এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, আরপিও সংশোধনে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন থেকে পাওয়া এ সংক্রান্ত প্রস্তাবগুলো পাওয়ার পর তা যুক্ত করা হবে।
তিনি বলেন, “আজকের নবম কমিশন সভা কন্টিনিউ হয়েছে। প্রথমে বিভিন্ন আরপিও সংশোধনী আলোচনা করা হয়েছে, যা কমিশন আজকে অনুমোদন করেছে। যেমন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ডেফিনেশনে সেনা, নৌ এবং বিমান বাহিনীসহ বাংলাদেশ কোস্টগার্ডকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ইভিএম এর ব্যবহার হবে না বলে এর সমস্ত প্রভিশন বিলুপ্ত করা হয়েছে। নির্বাচন কর্মকাণ্ডের সাথে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অবহেলা সংক্রান্ত শাস্তি স্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে এবং তিন কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তদন্তের ফলাফল কমিশনকে জানাতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পার্সোনাল ডোশিয়ারে রাখা হবে।”
আরপিও সংশোধনী ড্রাফট আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ে প্রেরণের পাঠানো জানিয়ে সানাউল্লাহ বলেন, “শিগগিরই ফাইনাল করে মন্ত্রণালয়ে প্রেরণের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে। ঐকমত্য কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সংশোধনী পরবর্তীতে উপস্থাপন করা হবে। ঐকমত্য কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সংশোধনী পরবর্তীতে উপস্থাপন করা হবে।”
সোমবার বেলা ১১টায় আগারগাওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দীনের সভাপতিত্বে সভা শুরু হয়। এতে চার নির্বাচন কমিশনার—আব্দুর রহমানেল মাছউদ, তাহমিদা আহমদ, মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এবং ইসি সচিব আখতার আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন।
এর আগে প্রায় ৪৮টি সংশোধন প্রস্তাব নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে গত বৃহস্পতিবার সভা শুরু হলেও সন্ধ্যায় তা মুলতবি ঘোষণা করা হয়।