বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক প্রবীণ রাজনীতিক তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন
ডারউইন, ০১ জুন: বাংলাদেশের প্রবীণ রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন। উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম এই সংগঠক আজ সোমবার বেলা সাড়ে তিনটায় রাজধানীর স্কয়ার…
ঢাকা: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি)-এর তিন মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়া ১৫ জন সেনা কর্মকর্তাকে সশস্ত্র বাহিনীর হেফাজতে নেওয়ার ঘটনাকে স্বাগত জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।
আজ রোববার (১২ অক্টোবর, ২০২৫) ভোরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
পোস্টে শফিকুর রহমান উল্লেখ করেন যে, অভিযুক্ত কর্মকর্তারা “ফ্যাসিস্ট সরকারের প্ররোচনায় প্রতিপক্ষ নিধনের এজেন্ডা বাস্তবায়নে” অন্ধ সহযোগী ছিলেন। তিনি লেখেন, “এর ফলে গুম এবং খুনের একটি ভীতিকর পরিবেশ দেশে সৃষ্টি হয়েছিল, যা একটি জাতির জন্য খুবই দুর্ভাগ্যের বিষয়।”
তবে, জামায়াত আমির একই সাথে সতর্ক করে বলেন যে, সুনির্দিষ্ট কয়েকজন ব্যক্তির অপরাধের কারণে পুরো প্রতিষ্ঠানকে কলঙ্কিত হতে দেওয়া যায় না। তিনি স্পষ্ট করেন, অপরাধের দায় কেবল সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ওপরই বর্তাবে।
শফিকুর রহমান এই বিচারপ্রক্রিয়াকে সহায়তা করার জন্য সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে দেওয়া স্পষ্ট ঘোষণা এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বাহিনীর হেফাজতে নেওয়ার উদ্যোগকে স্বাগত জানান।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, “কারও ওপর কোনো অবিচার চাপিয়ে দেওয়া হবে না। স্বচ্ছ বিচারপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্দিষ্ট অপরাধীরা যথাযথ শাস্তির মুখোমুখি হবেন।”
জামায়াত আমিরের মতে, এর মধ্য দিয়ে একদিকে যেমন অতীতের দায় মুছে যাবে, তেমনি ভবিষ্যতে কেউ “নিজের পেশা বা পরিচয়কে কাজে লাগিয়ে জনগণের জানমালের ক্ষতিসাধন থেকে বিরত থাকতে বাধ্য হবেন। পরিণতিতে দীর্ঘ মেয়াদে জাতি উপকৃত হবে।”