ছাত্রীর বাড়ি থেকে গৃহশিক্ষিকার বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার
ডারউইন, ১৯ মে: বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শহরের একটি বাড়ি থেকে মরিয়ম বেগম নামে এক গৃহশিক্ষিকার বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে জরুরি…
‘ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবেই, এটা সনদেরই অংশ’: জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উৎসবের ডাক প্রধান উপদেষ্টার
ঢাকা: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানিয়েছেন, আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবেই। তিনি এই নির্বাচনকে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের জুলাই সনদের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
জুলাই সনদ বাস্তবায়নের উপায় নিয়ে আজ বুধবার রাতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের ‘অতি জরুরি’ বৈঠকে যোগ দিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হবেই
রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের উদ্দেশে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, “ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচন হবেই। এটা এই যে ঐকমত্য কমিশনের যে সনদ, এটা সনদেরই অংশ এখন। এটার সঙ্গে এটা জড়িত।”
তিনি অঙ্গীকার করেন, “এই যে ঘোষণা আমরা করলাম, এটা আমাদের রক্ষা করতে হবে। এটা এমন না যে কথার কথা বলে ফেলেছি… এটা ফেব্রুয়ারিতে হবে এবং ওই যে বারবার বলেছি, এটা উৎসবমুখর নির্বাচন হবে।”
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো সনদ তৈরি করার ফলে এখন সরকারের দায়িত্ব হলো “সবাই মিলে উৎসবমুখর নির্বাচনটা করে দেওয়া।”
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পরবর্তী অধ্যায়
জুলাই সনদ রচনাকে অধ্যাপক ইউনূস ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থান–পরবর্তী অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, যে সংস্কারের কথা বলা হচ্ছিল, রাজনৈতিক দলগুলো এই সনদের মাধ্যমে তা বাস্তবে রূপায়ণ করে দেখিয়েছে।
তিনি জুলাই সনদ রচনায় রাজনৈতিক দল ও ঐকমত্য কমিশনের ‘অসম্ভবকে সম্ভব’ করার জন্য ব্যক্তিগতভাবে ধন্যবাদ জানান। তাঁর মতে, বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে কঠিন বিষয়ে আলোচনা করে এই সমাপ্তি টানা কেবল বাংলাদেশের নয়, “পৃথিবীর পলিটিক্যাল সিস্টেমের ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য হয়ে থাকবে।”
অধ্যাপক ইউনূস ঘোষণা করেন, আগামী ১৭ অক্টোবর জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান “উৎসবমুখরভাবে” পালিত হবে এবং “সারা জাতি এটায় শরিক হবে।” তিনি বলেন, যে কলম দিয়ে স্বাক্ষর করা হবে, সেগুলো জাদুঘরে সংরক্ষণ করা হবে।
দলিল সংরক্ষণ ও প্রচারের উদ্যোগ
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সনদ ও নির্বাচন বিচ্ছিন্ন কোনো বিষয় নয়; বরং “উত্তরণটা কীভাবে হবে, সেটার উত্তরও জুলাই সনদে দেওয়া আছে।”
তিনি অঙ্গীকার করেন যে সরকার হিসেবে তাদের দায়িত্ব হবে এই দলিলগুলোকে জনসাধারণের মধ্যে সহজ ভাষায় প্রচার করা, যাতে এটি সবার মনের মধ্যে থাকে। তিনি আরও বলেন, এই দলিলগুলো এবং এ বিষয়ে হওয়া বিতর্কগুলো ভিডিও ও বই আকারে সংরক্ষণ করা হবে, যাতে এগুলো সম্পদ হিসেবে থাকে এবং “কেমন জাতি গড়ার জন্য এগুলো করা হয়েছে,” তা সবাই জানতে পারে।
তিনি প্রত্যাশা করেন, আগামী শুক্রবার এই আশাকে সারা জাতির সামনে নিয়ে আসা হবে।