নির্বাচনি গণসংযোগকালে অসুস্থ মুফতি আমির হামজা; ভর্তি হাসপাতালে
কুষ্টিয়া-৩ আসনের জামায়াত প্রার্থী মুফতি আমির হামজা নির্বাচনি গণসংযোগকালে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। ফুড পয়জনিং বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।
ঢাকা: জুলাই জাতীয় সনদের আইনি ভিত্তি নিশ্চিত করা এবং সংশোধিত আরপিও (গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ) বহাল রাখাসহ পাঁচ দফা দাবিতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আটটি সমমনা রাজনৈতিক দল। এই দলগুলো আগামী নভেম্বরের মধ্যে গণভোট আয়োজনের দাবি জানিয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা থেকে জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা), নেজামে ইসলাম পার্টি, ডেভেলপমেন্ট পার্টি এবং বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন রাজধানীর আগারগাঁও মেট্রো স্টেশন থেকে মিছিল নিয়ে নির্বাচন কমিশনের ভবনের সামনে আসে এবং সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে।
সমাবেশের পর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম সাংবাদিকদের বলেন, “বর্তমান সময়ের আলোচিত বিষয় হচ্ছে জুলাই জাতীয় সনদের আইনি ভিত্তি। আমরা দলের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনের কাছে নভেম্বরের মধ্যে গণভোট আয়োজনের দাবি জানিয়েছি।”
কিছু দলের পক্ষ থেকে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট একদিনে আয়োজনের প্রস্তাব প্রসঙ্গে এই জামায়াত নেতা বলেন, “ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন হোক, কিন্তু জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের যে চেতনা, ছাত্রজনতার রক্তের যে স্বীকৃতি আমাদের দিতে হবে, সে জন্য জাতীয় নির্বাচন আর গণভোট একদিনে নয়।”
এছাড়াও, দলগুলো সংশোধিত আরপিওর আলোকে জাতীয় নির্বাচন এবং লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিতে ইসিকে অনুরোধ জানিয়েছে। মাওলানা আবদুল হালিম বলেন, “কোনো কোনো দল আরপিওকে সংসদে আনার কথা বলেছে। আমরা মনে করি, আরপিও যেটা উপদেষ্টা পরিষদ অনুমোদন করেছে, এটাকে কোনো কাঁট ছাঁট করা যাবে না।”
দলগুলোর নেতা-কর্মীরা জানান, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন, অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনসহ পাঁচ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। নেতারা বলেন, সরকারের প্রতি জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে ঐকমত্য কমিশনের প্রস্তাব দ্রুত বাস্তবায়নই এখন সময়ের দাবি।
মিছিলে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম এবং ঢাকা-১৩ আসনে জামায়াত সমর্থিত সংসদ সদস্য প্রার্থী মোবারক হোসাইন নেতৃত্ব দেন।