বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক প্রবীণ রাজনীতিক তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন
ডারউইন, ০১ জুন: বাংলাদেশের প্রবীণ রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন। উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম এই সংগঠক আজ সোমবার বেলা সাড়ে তিনটায় রাজধানীর স্কয়ার…
ঢাকা: এক-এগারোর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর যে কার্যালয়টি বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রধান রাজনৈতিক কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছিল, সেই গুলশান কার্যালয়ে প্রথমবারের মতো পা রাখলেন তারেক রহমান। রোববার (২৮ ডিসেম্বর) দুপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে তিনি এই কার্যালয়ে তাঁর অফিস কার্যক্রম শুরু করেন। এর মাধ্যমে দীর্ঘ ১৮ বছরের নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটিয়ে দেশের মাটিতে তাঁর রাজনৈতিক সক্রিয়তা পূর্ণতা পেল।
শুভেচ্ছা ও বরণ: দুপুর পৌনে ২টার দিকে গুলশানের বাসভবন থেকে গাড়িবহর নিয়ে কার্যালয়ে আসেন তারেক রহমান। সেখানে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও জ্যেষ্ঠ নেতারা তাঁকে অভ্যর্থনা জানান। নেতাদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় শেষে তিনি তাঁর জন্য নির্ধারিত দোতলার চেম্বারে গিয়ে বসেন। উল্লেখ্য, এই কার্যালয়টি চালুর সময় তারেক রহমান প্রবাসে থাকায় এটিই ছিল সেখানে তাঁর প্রথম উপস্থিতি।
নির্বাচনী ও সাংগঠনিক প্রস্তুতি: দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তারেক রহমানের ফেরার পর বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রমে গতি এসেছে। কেবল গুলশান নয়, নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়েও তাঁর জন্য আলাদা চেম্বার তৈরি করা হয়েছে। এছাড়া আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একটি বিশেষ নির্বাচনী কার্যালয় থেকেও তিনি সরাসরি কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবেন।
গত তিন দিনের কর্মতৎপরতা: বৃহস্পতিবার দেশে ফেরার পর থেকেই অত্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করছেন তারেক রহমান। প্রথম দিনেই এভারকেয়ার হাসপাতালে গিয়ে মা খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করেন তিনি। এরপর একে একে জাতীয় স্মৃতিসৌধ, শহীদ জিয়ার মাজার, আরাফাত রহমান কোকোর কবর এবং পিলখানায় নিহত সেনা কর্মকর্তাদের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। গতকাল শনিবার তিনি নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে (ইটিআই) গিয়ে বায়োমেট্রিক তথ্য দিয়ে ভোটার হিসেবে নিবন্ধনের কাজও সম্পন্ন করেছেন।
বাসস্থান ও পারিবারিক আবহ: বর্তমানে তারেক রহমান গুলশান অ্যাভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাড়িতে অবস্থান করছেন, যা সম্প্রতি সরকার আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে খালেদা জিয়াকে বুঝিয়ে দিয়েছে। এই বাড়ির পাশেই ‘ফিরোজা’তে থাকছেন মা খালেদা জিয়া। ফলে দীর্ঘ সময় পর মা ও ছেলের এই সান্নিধ্য দলীয় নেতা-কর্মীদের মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে।