জেনে নিন বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তান বিমান ভাড়া কত?
যারা বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানে ভ্রমণ করতে চান তাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তান বিমান ভাড়া। আগে তুলনামূলকভাবে কম ছিল। কিন্তু বর্তমান সময়ে…
আপনি যদি কোন দেশে স্টুডেন্ট ভিসার জন্য আবেদন করতে চান তাহলে স্টুডেন্ট ভিসার যোগ্যতা কতটুকু এবং ভিসা পেতে হলে যে সকল ডকুমেন্ট প্রয়োজন, এবং যে সকল ডকুমেন্ট ছাড়া আপনি স্টুডেন্ট ভিসার জন্য এপ্লাই করতে পারবেন না। এবং যে সকল ডকুমেন্ট ছাড়া ভিসার জন্য আবেদন করলে আপনার আবেদনটি রিফিউজ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সে সকল বিষয়ে বিস্তারিত উল্লেখ করার প্রচেষ্টা করেছি। আশা করি আপনার জন্য উপকারে আসবে।
স্টুডেন্ট ভিসা পাওয়ার জন্য যে সকল ডকুমেন্ট অবশ্যই প্রয়োজন পড়বে সেগুলো নিম্নে ক্রমানুসারে উল্লেখ করা হলোঃ
বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য স্টুডেন্ট ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে যে সকল ডকুমেন্টারি আপনার প্রয়োজন পড়বে। এবং যে সকল যোগ্যতা আপনার অর্জন করতে হবে সেই বিষয়গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।
তবে তার আগে আপনাকে বলে নিচ্ছি যদি আপনার উল্লেখিত সাতটি ডকুমেন্ট সঠিকভাবে থাকে তাহলে স্টুডেন্ট ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা 99% হবে।
আর যদি উল্লেখিত সাতটি ডকুমেন্টারি বা কাগজপত্রের মধ্যে কোন একটিতে গোলমাল থাকে বা সমস্যা ত্রুটি থাকে। তাহলে স্টুডেন্ট ভিসা পেতে আপনার ঝামেলায় পড়তে হতে পারে। অথবা ভিসা রিফিউজ হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।
আপনি বিদেশ গিয়ে পরবর্তীতে যে এই স্টেপে পড়াশোনা করতে চাচ্ছেন বা যেই ক্লাসে পড়াশোনা করতে চাচ্ছেন তার আগের স্টেপের বা পূর্ব একাডেমিক শিক্ষার যোগ্যতার সার্টিফিকেট প্রয়োজন হবে।
অর্থাৎ উদাহরণস্বরূপ বলা যায় যদি আপনি ব্যাচেলর কোর্সের জন্য বিদেশে যেতে চান, তাহলে বাংলাদেশে থাকা অবস্থায় উচ্চমাধ্যমিক বা এইচএসসি অথবা ডিপ্লোমা কোর্স কমপ্লিট করার সার্টিফিকেট এবং মার্কেটগুলোর প্রয়োজন হবে।
বিদেশে পড়াশোনা করতে গেলে আপনাকে অবশ্যই আইএলটিএস সার্টিফিকেট সাবমিট করতে হবে। এবং IELTS সার্টিফিকেট স্কোর ভালো থাকতে হবে। তবে ইউরোপ কান্ট্রি গুলোতে কিছু কিছু দেশ আছে যেখানে তারা শুধুমাত্র ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ টেস্ট করার মাধ্যমে আপনাকে এডমিশন দেওয়ার সুযোগ দিবে সেখানে আইএলটিএস সার্টিফিকেট না হলেও চলবে।
তবে শুধুমাত্র ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ টেস্ট প্রদানের মাধ্যমে যে সকল ইউনিভার্সিটি তে ভর্তি হওয়ার চান্স পাবেন সে সকল ইউনিভার্সিটি সংখ্যা আগের তুলনায় এখন অনেক কম অর্থাৎ বর্তমানে অধিকাংশ কান্ট্রি ইউনিভার্সিটিগুলোতে এডমিশন নিতে গেলে অবশ্যই আপনাকে IELTS সার্টিফিকেট স্কুল খুব ভালো থাকতে হবে এবং IELTS সার্টিফিকেট এক্সাম দেওয়ার মাধ্যমে মূলত আপনি বিদেশি স্টুডেন্ট ভিসা পাওয়ার জন্য এপ্লাই করতে পারবেন।
স্টাডি গ্যাপ হওয়ার জন্য আসলে মূলত কোন সার্টিফিকেট বা ডকুমেন্ট সাবমিট করার প্রয়োজন নেই তবে আপনার যদি স্টাডি গ্যাপ তিন বছরের বেশি হয়ে থাকে তাহলে ইউনিভার্সিটিগুলোতে এডমিশন নেওয়ার জন্য মাঝেমধ্যে সমস্যা হতে পারে।
আর এই গ্যাপ টা তারা আপনার সার্টিফিকেট এর মাধ্যমে বুঝতে পারবে অর্থাৎ ধরেনঃ এসএসসি থেকে এইচএসসি পর্যন্ত আপনার কতটুকু এগিয়েছে বা কত সালে এইচএসসি পরীক্ষা দিয়ে আপনার সার্টিফিকেট নিয়েছে সে বিষয়ের উপর ভিত্তি করে কিন্তু আপনার ভিসা এপ্রুভ করার সম্ভাবনা থাকে।

তবে যদি আপনি এই স্টাডি গ্যাপ এর সময়ের জন্য কোন রিজন বা গুরুত্বপূর্ণ কারণ দেখাতে পারেন, তাহলে হয়তো আপনার ভিসা পাওয়ার রেশিও বা সম্ভাবনা বেড়ে যাবে।
স্টুডেন্ট ভিসা পাওয়ার যোগ্যতা হিসেবে আপনাকে আরেকটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে, সেটি হচ্ছে ধরা যাক আপনি ব্যাচেলর কোর্সের জন্য এপ্লাই করেছেন। এবং এইচ এস সি পরীক্ষায় পাশ করার পরে আপনি অলরেডি কোন একটি কলেজে অনার্সে ভর্তি হয়ে গিয়েছেন।
সেখানে বর্তমান পড়াশোনা কন্টিনিউ করছেন। অথবা আপনি অনার্স ফার্স্ট ইয়ার সেকেন্ড ইয়ার বা থার্ড ইয়ারে শিক্ষা কালীন অবস্থায় সিদ্ধান্ত নিল যে আপনি বিদেশে পড়াশোনা করার জন্য যাবেন। সে ক্ষেত্রে আপনি দুই বছর তিন বছর যে পড়াশোনা করেছেন সেটার কোন প্রমাণ পত্র আপনি দেখাতে পারছেন না, বেশিরভাগ সময়ে কলেজ ইউনিভার্সিটি থেকে এই ডকুমেন্টগুলো সংগ্রহ করা সম্ভব হয়ে ওঠেনা। সুতরাং এই সময়টুকু স্টাডি গ্যাপ হিসেবে ধরা হয়।
সাধারণত যেটা হয় ধরেন আপনি বিদেশী কোন একটি ইউনিভার্সিটি তে ভর্তি হওয়ার জন্য ভিসা পেতে আবেদন করলেন, এবং আপনি আপনার পূর্ববর্তী পড়াশোনা অর্থাত এইচএসসি পাশের মার্কশিট প্রমানপত্র হিসেবে সাবমিট করলেন।
কিন্তু এই এইচএসসির পরে থেকে নিয়ে আবেদনের পর্যন্ত যে সময়টা লাগে ভিসা প্রসেসিং হওয়ার জন্য এই সময়টাতে আসলে আপনি কি কি কাজ করেছেন সেটার যদি কোনো প্রমান পত্র না দেখাতে পারেন বা কোনো কারণ দেখাতে না পারেন, তাহলেও কিন্তু আপনার স্টুডেন্ট ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা কম রয়েছে। অথবা বলা যায় অনেক ক্ষেত্রে এডমিশন পাওয়ার সম্ভাবনা থাকেনা।
সুতরাং বিদেশে স্টুডেন্ট ভিসা যোগ্যতা হিসেবেঃ ভিসার জন্য আবেদন করার আগে সপ্নার স্টাডি গ্যাপ এর সময়টাতে আপনি কি করেছেন সেটার একটা প্রপার ডকুমেন্ট রেডি রাখতে হবে।
হিরো কণ্টি সহ অধিকাংশ দেশের ইউনিভার্সিটিগুলোতে উচ্চশিক্ষার জন্য মূলত আপনার ইউনিভার্সিটি থেকে আনকন্ডিশনাল একটি অফার লেটার থাকতে হবে। এ অপারেটরগুলো দুই ধরনের হয়ে থাকেঃ ১) কন্ডিশনাল অফার লেটার। ২) কন্ডিশনাল অফার লেটার।
কন্ডিশনাল অফার লেটার বলতে বুঝায়ঃ যেসকল ডকুমেন্টারি বিভিন্ন শর্তাদি দেওয়া থাকে। অর্থাৎ ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ আপনাকে হতে পারে সম্মতি দিবে যে আপনি তাদের ইউনিভার্সিটি ভর্তি হতে পারবেন তবে তাদের ইউনিভার্সিটি তে এডমিশন নেওয়ার জন্য কিছু শর্ত আপনাকে মানতে হবে। যেমন উদাহরণস্বরূপ বলা যায় যে তারা হয়তো আপনাকে শর্ত বা কন্ডিশন দিল যে আপনার আইএলটিএস স্কোর ৮.০ পয়েন্ট এর উপরে থাকতে হবে। তা না হলে আপনি তাদের ইউনিভার্সিটির নির্দিষ্ট কোর্সে এডমিশন নিতে পারবেন না।
আনকন্ডিশনাল অফার লেটার বলতে বুঝায়ঃ যে সকল লেটারে কোন শর্তাদি আরোপ করা থাকে না। হঠাৎ এক কথায় বলতে গেলে নিঃশর্তে ভর্তির জন্য প্রমাণপত্র কে বোঝায়।
স্টুডেন্ট ভিসা এপ্লাই করার জন্য সাধারণত আনকন্ডিশনাল ইউনিভার্সিটি অফার লেটার এর প্রয়োজন হয়।
ব্যাংক স্পনসর লেটার বলতে বুঝায়ঃ আপনি বিদেশে পড়াশোনা করার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে টাকাপয়সা আপনার রয়েছে, সেটা নির্দিষ্ট কোনো একটি ব্যাংকের মাধ্যমে প্রমানপত্র হিসেবে ভিসা আবেদন করার সময় সাবমিট করতে হবে।
সাধারণত ব্যাংক স্পন্সর দুইভাবে দেখানো যায়ঃ
১) আপনি যে দেশে পড়াশোনা করতে যাবেন সে দেশের কোন একটি ব্যাংকের ব্লক একাউন্টের স্পনসর লেটার দেখাতে হবে।
২) অথবা বাংলাদেশের কোন ব্যাংক একাউন্টে আপনার নামে অথবা আপনার বাবা-মা-ভাই-বোন অথবা কোন আত্মীয় নিকটাত্মীয়ের একাউন্টে পর্যাপ্ত পরিমান ডিপোজিট রয়েছে সেটার প্রমানপত্রও আপনি দেখাতে পারবেন।
তো বিভিন্ন ইউনিভার্সিটি তে ব্যাংক স্পনসর লেটার দেখানোর জন্য যে দেশ আপনি পড়তে যাবেন সেদেশে ইউনিভার্সিটি কর্তৃক আপনাকে বলে দিবে যেঃ আপনাকে নির্দিষ্ট সেই দেশের ব্যাংক থেকে স্পনসর লেটার নেওয়ার জন্য।
এবং আপনার ইউনিভার্সিটি সেই ব্যাংকে আপনার নামে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করবে, যে ব্যাংক অ্যাকাউন্টটিতে আপনি ইউনিভার্সিটির অজ্ঞাতসারে অ্যাক্সেস করতে পারবেন না অথবা আপনাকে জানানো ব্যতীত ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ আপনার অ্যাকাউন্ট অ্যাক্সেস করতে পারবে না। এটাকেই মূলত ব্যাংকের ব্লক একাউন্ট বলা হয়।
আপনি যখন সেই দেশে যাবেন এবং সেখানে যাওয়ার পরে যে টাকাগুলো স্পন্সর হিসেবে আপনি দেখিয়েছিলেন। সেটা একটি মাসিক ইনস্টলমেন্ট বেসিসে আপনাকে রিটার্ন দেওয়া হবে।
আর যদি বাংলাদেশে আপনি আপনার ফার্স্ট ব্লাড একাউন্টে বা নিজস্ব একাউন্টে স্পনসর দেখাতে চান। এবং ব্লক একাউন্ট টি যে আপনার স্পন্সর দেখাতেই হবে এরকম কোনো রিকোয়ারমেন্ট না থাকে, সেক্ষেত্রে আপনি বাংলাদেশ থেকে নিজের একাউন্ট এর স্পন্সরও দেখাতে পারেন।
নির্দিষ্ট পরিমাণের টাকা সেক্ষেত্রে আপনার ব্যাংক একাউন্টে রাখতে হবে। এবং এই টাকাটা কি পরিমানে রাখতে হবে সেটা কান্ট্রি কান্ট্রি ভেরি করে অর্থাৎ কোন কোন দেশের জন্য রিকোয়ারমেন্ট 700008 লাখ অথবা 10 লাখ এমনও হতে পারে একেক দেশের একেক রকমের রিকোয়ারমেন্ট থাকে এবং এই টাকাটা আপনি ভিসা না হওয়া পর্যন্ত তুলতে পারবেন না অর্থাৎ আপনার ভিসা ডিসিশন যতক্ষণ পর্যন্ত পেন্ডিং থাকবে ততক্ষণ পর্যন্ত এই টাকা উইথড্র করতে পারবেন না।
আরেকটা বিষয়ঃ আপনি যদি নিজের একাউন্টে আপনার টাকাটা দেখান আপনার ফার্স্ট ব্লাড রিলেশন যার সাথে তার একাউন্টে টাকা টা দেখান অবশ্যই আপনাকে এই টাকা ইনকাম সোর্স উপার্জনের উৎস কি সেটা দেখাইতে হবে। আরও স্পষ্ট করে বলতে গেলে আপনার বা আপনার ব্লাড রিলেশনের একাউন্টে যে টাকাটা আপনি দেখাতে যাচ্ছেন সেই টাকা উপার্জনের উৎস কি যদি চাকরি বা ব্যবসা হয়ে থাকে তাহলে আপনি সকল কাগজপত্র ঠিক আছে কিনা, সেটা নিশ্চিত হয়ে তারপর স্পন্সর হিসেবে দেখাবেন।
অনেকেই আছেন যারা বাংলাদেশ থেকে ব্যাংক স্পন্সর দেখায় তারা তাদের ইনকাম সোর্স বা এর উৎস প্রমাণপত্র দেখাতে পারেনা। সে ক্ষেত্রে অনেক সময় বিভিন্ন রকমের ঝামেলা হতে পারে।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স লেটারটি বর্তমানে অধিকাংশ দেশেই চেয়ে থাকে, অর্থাৎ আপনি দেশে থাকতে কোনো ক্রাইম করেছে কিনা বা আপনার ক্যারিয়ার লাইফে কোন খারাপ অভিযোগ আছে কিনা। এসকল ব্যপারে ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত হয়ে নেয়।
বর্তমানের অধিকাংশ দেশেই আপনার ফিজিক্যাল টেস্ট বা শারীরিক সুস্থতার একটি প্রমাণ পত্র দেখতে চাই যেদিকে আমরা মেডিকেল সার্টিফিকেট বলতে পারি। অর্থাৎ কোন কোন দেশে নির্দিষ্ট কিছু ডিজিস থাকে এই জিনিসগুলো আপনার মধ্যে আছে কিনা যদি এই অসুস্থতা বার অথবা শরীরের কোন খারাপ ইফেক্ট থাকে তাহলে হয়তোবা আপনি ভিসার জন্য রিফিউজ হয়ে যাবেন।
কিন্তু যদি আপনার শারীরিক সুস্থতা সঠিকভাবে থাকে বা তাদের যে রিকমেন্ডেড সেই অনুযায়ী থাকে তাহলে অবশ্যই মেডিকেল সার্টিফিকেট আপনার ভিসা এপ্লাই এর সময় পাস হয়ে যাবে।
মেডিকেল সার্টিফিকেট এ বিষয়ে আমি বলবো যে অনেক ক্ষেত্রে ভিসা আবেদন করার আগেই মেডিকেল সার্টিফিকেট ফরমেট করতে বলে। আবার অনেকক্ষেত্রে ভিসা প্রসেসিং থাকা অবস্থায় আপনাকে মেডিকেল সার্টিফিকেট সংগ্রহ করতে বলা হতে পারে।
উপরে উল্লেখিত সাতটি ডকুমেন্ট উল্লেখ করা হলো যেগুলো আপনার স্টুডেন্ট ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই লাগবে। সাতটি ডকুমেন্ট রেডি করে যখন আপনি স্টুডেন্ট ভিসার জন্য আবেদন করবেন তখন বিষয়টি আপনার প্রসেস ইন অবস্থায় থাকবে এবং পরবর্তীতে বিষয়ে প্রভাবে নাকি রিফিউজ হবে সেটা নির্ভর করবে আপনি যে ইউনিভার্সিটি তে ভর্তি হতে যাচ্ছেন সেই ইউনিভার্সিটি এবং বিদেশি এম্বাসি কর্তৃপক্ষের উপর।
যাহোক, আমি উপরে যেই সাতটি ডকুমেন্টের কথা উল্লেখ করলাম। এই সাতটি ডকুমেন্ট ও কাগজপত্র যদি সঠিকভাবে থাকে তাহলে আপনার ভিসা পাওয়ার রেশিও 99% পার্সেন্ট আশা করা যায়।
অর্থাৎ স্টুডেন্ট ভিসা পাওয়ার যোগ্যতা হিসেবে আপনাকে এই সাতটি ডকুমেন্ট থাকতেই হবেঃ ১) আগের পড়াশোনার সার্টিফিকেট। ২) IELTS সার্টিফিকেট। ৩) স্টাডি গ্যাপ। ৪) আনকন্ডিশনাল ইউনিভার্সিটি অফার লেটার। ৫) ব্যাংক স্পনসর লেটার। ৬) পুলিশ ক্লিয়ারেন্স লেটার। ৭) মেডিকেল সার্টিফিকেট। যদি কোন বিষয় আপনার প্রশ্ন থাকে তাহলে অনুগ্রহ করে কমেন্ট বক্সে লিখুন। ধন্যবাদ।।