চাঁদে মানুষের শহর গড়ার ঘোষণা দিলেন ইলন মাস্ক
মঙ্গল গ্রহ বাদ দিয়ে চাঁদে স্ব-বর্ধিষ্ণু শহর গড়ার ঘোষণা দিলেন স্পেস-এক্স প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্ক। ১০ বছরের নতুন লক্ষ্য ও নাসার চুক্তি নিয়ে বিস্তারিত।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক: মহাকাশে শুরু হয়েছে এক প্রলয়ঙ্করী অস্থিরতা। সূর্যের বুক থেকে ছিটকে আসা তীব্র অগ্নিশিখা ও তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণ যেকোনো মুহূর্তে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে আঘাত হানতে পারে বলে সতর্ক করেছেন মহাকাশ বিজ্ঞানীরা। ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো (ISRO) এবং মার্কিন সংস্থা নাসা (NASA) জানিয়েছে, এই সৌরঝড়ের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়তে পারে।
কেন এই অস্থিরতা? জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, সূর্যের ভেতর থাকা চৌম্বকীয় সৌরকলঙ্ক বা সানস্পটগুলোর সক্রিয়তা অস্বাভাবিক হারে বেড়ে গেছে। গত ১ ও ২ ফেব্রুয়ারি সূর্যের ‘অ্যাক্টিভ রিজিয়ন ১৪৩৬৬’ থেকে নির্গত হয়েছে ‘এক্স ৮.১’ (X 8.1) তরঙ্গের প্রলয়ঙ্করী সৌরশিখা। সূর্য বর্তমানে তার ১১ বছরের চক্রের সর্বোচ্চ সক্রিয় পর্যায় বা ‘সোলার ম্যাক্সিমা’-র মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যার ফলে এই ঘনঘন বিস্ফোরণ।
পৃথিবীর ওপর সম্ভাব্য প্রভাব: বিজ্ঞানীরা সতর্ক করেছেন যে, এই সৌরঝড় সরাসরি মানুষের শরীরের ক্ষতি না করলেও আমাদের আধুনিক প্রযুক্তিকে পঙ্গু করে দিতে পারে:
উচ্চ কম্পাঙ্কের রেডিও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হতে পারে।
মহাকাশে থাকা কৃত্রিম উপগ্রহ বিকল হয়ে টেলিভিশন ও ইন্টারনেট সিগন্যালে বড় গোলমাল দেখা দিতে পারে।
পৃথিবীর পাওয়ার গ্রিডগুলোতে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়ে দীর্ঘমেয়াদী বিদ্যুৎ বিভ্রাট বা ব্ল্যাকআউট ঘটতে পারে।
এই ধ্বংসাত্মক রূপের মাঝেও একটি সুন্দর দিক রয়েছে। সৌরঝড়ের তীব্রতায় উত্তর ও দক্ষিণ মেরুর আকাশে ‘অরোরা’ বা মেরুপ্রভার উজ্জ্বলতা বহুগুণ বেড়ে যাবে। তীব্রতা বেশি হলে মেরু অঞ্চলের বাইরেও এই মহাজাগতিক আলোর খেলা দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।