টটেনহ্যামকে হারিয়ে চারে উঠে এল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড
মাইকেল ক্যারিকের অধীনে টানা চার ম্যাচ জিতল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। টটেনহ্যামকে হারিয়ে লিগ টেবিলের চতুর্থ স্থানে উঠে আসার বিস্তারিত।
স্পোর্টস ডেস্ক: লিওনেল মেসি ও বার্সেলোনা—শব্দ দুটি যেন মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। ২০২৬ সালে নিজের গোলবন্যার খাতা খোলার জন্য আবারও সেই ‘বার্সেলোনা’ নামকেই বেছে নিলেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। তবে এই বার্সেলোনা স্পেনের নয়, বরং ইকুয়েডরের ঐতিহ্যবাহী ক্লাব ‘বার্সেলোনা স্পোর্টিং ক্লাব’। ইন্টার মায়ামির ‘চ্যাম্পিয়নস ট্যুর’-এর অংশ হিসেবে আজ সকালে অনুষ্ঠিত ম্যাচটি ২-২ গোলে ড্র হয়েছে।
২০২৬ সালের প্রাক-মৌসুমের প্রথম দুই ম্যাচে গোলহীন থাকার পর আজ স্বরূপে ফিরেছেন মেসি। ম্যাচের প্রথমার্ধে মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে একক প্রচেষ্টায় দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বক্সের বাইরে থেকে বাঁ পায়ের সেই চেনা জোরালো শটে গোল করেন তিনি। এই গোলটি মায়ামিকে ১-০ তে এগিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি দর্শকদের মনে করিয়ে দেয় মেসির সেই সোনালি দিনের কথা।
মায়ামির লিড বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ৪১ মিনিটে ইকুয়েডরের ক্লাবটির হয়ে জোয়াও রোহাস গোল করে সমতা ফেরান। তবে প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার ঠিক আগে আবারও মায়ামিকে এগিয়ে দেন নতুন তারকা জার্মান বেরতেরামে। এই গোলের রূপকার ছিলেন স্বয়ং মেসি। তাঁর নিখুঁত পাস থেকেই ২-১ ব্যবধানে লিড নিয়ে বিরতিতে যায় মায়ামি।
দ্বিতীয়ার্ধে রক্ষণভাগের ভুলে গোল হজম করতে হয় ইন্টার মায়ামিকে। শেষ পর্যন্ত ২-২ গোলের ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় মেজর লিগ সকার (এমএলএস) চ্যাম্পিয়নদের। আগের ম্যাচে আলিয়াঞ্জা লিমার কাছে বড় হারের পর মেসির এই গোল ও ছন্দ মায়ামি শিবিরের জন্য বড় স্বস্তি হয়ে এসেছে।