দ্রুততম ১৪ হাজার রানের পাশাপাশি কোহলির আরও রেকর্ড
ডারউইন, ১৫ মে: আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ছেড়েছেন আগেই। তবে সীমিত ওভারের এই সংস্করণে এখনো কতটা ভয়ঙ্কর, সেটি এবারের আইপিএলে বুঝিয়ে দিচ্ছেন বিরাট কোহলি। বুধবার রায়পুরে কলকাতা…
ক্রীড়া প্রতিবেদক: ১৫ ফেব্রুয়ারি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কট করার পেছনে ‘ফোর্স মেজার’ (Force Majeure) বা অনিবার্য পরিস্থিতির আইনি ঢাল ব্যবহার করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। তবে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি এই যুক্তি মানতে নারাজ। বিশ্ব ক্রিকেটের এই দুই পক্ষের মধ্যকার বিরোধ এখন চরম আইনি জটিলতায় রূপ নিয়েছে।
সাধারণত যুদ্ধ বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকা পরিস্থিতির ক্ষেত্রে এই ধারা ব্যবহৃত হয়। পিসিবি যুক্তি দিয়েছে, পাকিস্তান সরকারের সরাসরি নিষেধাজ্ঞা একটি ‘অনিবার্য পরিস্থিতি’। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের মন্ত্রিসভা বাংলাদেশের প্রতি সংহতি জানিয়ে ভারতের বিপক্ষে না খেলার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা মানতে বোর্ড বাধ্য—এই আইনি নথিপত্রই আইসিসিতে জমা দিয়েছে পিসিবি।
আইসিসি এক চিঠিতে পিসিবির কাছে জানতে চেয়েছে, এই সংকট এড়াতে বোর্ড আসলে কী পদক্ষেপ নিয়েছিল? আইসিসি স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, পিসিবির এই সিদ্ধান্তে বাণিজ্যিক ও প্রশাসনিক বড় বিপর্যয় ঘটবে। এর ফলে পাকিস্তানের কাছে বিশাল অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দাবি করা হতে পারে, এমনকি গুরুতর নিয়মভঙ্গের দায়ে পাকিস্তানের সদস্যপদ স্থগিত বা বাতিলের মতো চরম ব্যবস্থাও নেওয়া হতে পারে।
বিসিসিআই-এর পুরনো নজির টানছে পিসিবি: আইসিসির হুমকিতে পিছু না হটে পিসিবি বরং পাল্টা যুক্তি দিচ্ছে। তারা ২০১৪ সালের একটি ঘটনার কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে, যেখানে ভারত সরকার অনুমতি দেয়নি বলে বিসিসিআই পাকিস্তানের সাথে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলেনি। পিসিবির দাবি, সেদিন যদি ভারত সরকারের নির্দেশ ‘বৈধ’ কারণ হতে পারে, তবে আজ পাকিস্তান সরকারের নির্দেশও একইভাবে বৈধ এবং ‘ফোর্স মেজার’-এর আওতাভুক্ত।