নির্বাচনি গণসংযোগকালে অসুস্থ মুফতি আমির হামজা; ভর্তি হাসপাতালে
কুষ্টিয়া-৩ আসনের জামায়াত প্রার্থী মুফতি আমির হামজা নির্বাচনি গণসংযোগকালে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। ফুড পয়জনিং বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।
ঢাকা: ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের সুপারিশ জমা হওয়ার পরও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যে মতভিন্নতা রয়েছে, তা নিরসনে এখন থেকে আর কোনো উদ্যোগ নেবে না অন্তর্বর্তী সরকার। বরং এই মতৈক্যহীনতা দূর করার জন্য সরকার রাজনৈতিক দলগুলোকে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে একটি ঐকমত্যে পৌঁছাতে বলেছে। এ জন্য সম্ভাব্য সময় দেওয়া হয়েছে এক সপ্তাহ।
আজ (সোমবার) উপদেষ্টা পরিষদের জরুরি সভা শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল এই তথ্য জানান।
সংবাদ সম্মেলনে আসিফ নজরুল বলেন, উপদেষ্টা পরিষদের জরুরি সভায় সংস্কার বিষয়ে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টার জন্য জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ও রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি ধন্যবাদ জানানো হয়েছে। সভায় ঐকমত্য কমিশনের প্রস্তাবিত জুলাই জাতীয় সনদ, সংবিধান সংস্কার আদেশ চূড়ান্তকরণ এবং এতে উল্লেখিত গণভোট আয়োজনের বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করা হয়।
মতভিন্নতায় উদ্বেগ: আইন উপদেষ্টা জানান, সভায় লক্ষ্য করা হয় যে ঐকমত্য কমিশনে দীর্ঘদিন আলোচনার পরও কয়েকটি সংস্কারের সুপারিশ বিষয়ে ভিন্নমত রয়ে গেছে। এর পাশাপাশি, গণভোট কবে অনুষ্ঠিত হবে এবং গণভোটের বিষয়বস্তু কী হবে—এই প্রশ্নগুলো নিয়েও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতভেদ দেখা দেওয়ায় সভায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।
অধ্যাপক আসিফ নজরুল পরিষ্কার করে দেন, এই পরিস্থিতিতে অন্তর্বর্তী সরকার আর সরাসরি মধ্যস্থতা করবে না। তিনি বলেন, “মতভিন্নতা নিরসনে অন্তর্বর্তী সরকার আর কোনো উদ্যোগ নেবে না। এখন রাজনৈতিক দলগুলোকে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে মতৈক্যে পৌঁছাতে বলা হয়েছে। সে জন্য সম্ভাব্য সময় দেওয়া হয়েছে এক সপ্তাহ।”
জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা এবং সংবিধান সংস্কারের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দলগুলোর এই মতৈক্যহীনতা দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য একটি নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।