টটেনহ্যামকে হারিয়ে চারে উঠে এল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড
মাইকেল ক্যারিকের অধীনে টানা চার ম্যাচ জিতল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। টটেনহ্যামকে হারিয়ে লিগ টেবিলের চতুর্থ স্থানে উঠে আসার বিস্তারিত।
ক্রীড়া প্রতিবেদক : এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বের মূলপর্বে খেলার সম্ভাবনা শেষ হয়ে গেলেও ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার দ্বৈরথ নিয়ে উত্তেজনা এক বিন্দুও কমেনি। দীর্ঘদিন ধরে এই ম্যাচ মানেই তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা, আর সেই ধারাবাহিকতা মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) জাতীয় স্টেডিয়ামে দেখা যাবে বলে মনে করছেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া।
সোমবার (১৭ নভেম্বর) ম্যাচের আগের সংবাদ সম্মেলনে কোচ হ্যাভিয়ের কাবরেরার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জামাল। গত মার্চে প্রথম লেগের ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র হয়েছিল।
ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচকে ‘আবেগময়, হাই-ভোল্টেজ ম্যাচ’ উল্লেখ করে জামাল বলেন, বছরটা জয় দিয়ে শেষ করতে পারলে তা শুধু দলের জন্য নয়, সমর্থক ও সবার জন্যই ইতিবাচক হবে।
“কালকের ম্যাচে অনেক ফ্রি-কিক, হলুদ কার্ড আর গালাগালি হবে। যদিও আমি এটাকে স্বাভাবিক ম্যাচ হিসেবেই নেব।”
বাংলাদেশ শেষবার ভারতকে হারিয়েছিল ২২ বছর আগে—২০০৩ সালের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে, ২-১ গোলে। এবার সেই খরা কাটানোর সুযোগ রয়েছে বলে বিশ্বাস করেন জামাল। তিনি বলেন, ‘এটাই বাংলাদেশের সবচেয়ে শক্তিশালী স্কোয়াড। তাই ভারতকে হারানোর সুযোগ অবশ্যই আছে।’
বাড়তি চাপ নিয়ে মাথা ঘামাতে নারাজ জামাল। তিনি জানান, সকালে নাস্তা করতে গিয়ে লিফটে বাংলাদেশের ক্রিকেট কোচ তাঁকে চাপ নিয়ে প্রশ্ন করেন। জবাবে জামাল বলেন, “চাপ সব সময় থাকে। তবে এটা সামলানোই আমার কাজ।” ক্রিকেট কোচও ম্যাচ দেখতে মাঠে থাকবেন বলে জানান জামাল, যা থেকে বোঝা যায়, দেশের ক্রীড়াঙ্গনও এই ম্যাচ নিয়ে রোমাঞ্চিত।
সাম্প্রতিক সময়ে শেষ মুহূর্তে গোল হজম করার বাজে অভ্যাস বাংলাদেশের বড় সমস্যা। এই সমস্যা মেনে নিয়ে অধিনায়ক বলেন, ‘রক্ষণে অবশ্যই আমাদের সমস্যা আছে। তবে ভারত যদি অনেক উপরে উঠে খেলে, তাহলে আমরা সামনে অনেক স্পেস পাব।’