ঢাকার সঙ্গে সরাসরি ফ্লাইট বাতিল করল এয়ার ইন্ডিয়া
ডারউইন, ১৫ মে: ঢাকার সঙ্গে মুম্বাইয়ের সরাসরি ফ্লাইট সাময়িকভাবে স্থগিত করাসহ একাধিক আন্তর্জাতিক রুটে বড় ধরনের পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত বিমান সংস্থা ‘এয়ার ইন্ডিয়া’।…
ওয়াশিংটন : তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) তাইওয়ানের জন্য ১১ বিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের আটটি পৃথক অস্ত্র প্যাকেজ বিক্রির ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
স্টেট ডিপার্টমেন্টের অনুমোদিত এই বিশাল সমরাস্ত্র বিক্রির সিদ্ধান্তটি বেইজিং ও ওয়াশিংটনের মধ্যে বিদ্যমান কূটনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনাকে আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
প্রতিরক্ষা নিরাপত্তা সহযোগিতা সংস্থা (ডিএসসিএ) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এই অস্ত্র সম্ভারের মধ্যে রয়েছে অত্যাধুনিক ড্রোন, রকেট এবং বিভিন্ন পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র। উল্লেখযোগ্য সরঞ্জামগুলো হলো:
স্টেট ডিপার্টমেন্টের এই ঘোষণার পর এখন মার্কিন কংগ্রেসে ৩০ দিনের একটি আইনগত পর্যালোচনা সময়কাল শুরু হবে। যদিও কংগ্রেস চাইলে এটি বন্ধের প্রস্তাব করতে পারে, তবে ঐতিহাসিকভাবে এমন বড় কোনো অস্ত্র লেনদেন মার্কিন কংগ্রেস সফলভাবে আটকে দিতে পারেনি। ফলে এই সমরাস্ত্র তাইওয়ানের হাতে পৌঁছানো এখন কেবল সময়ের ব্যাপার।
রণকৌশল ও যোগাযোগ: অস্ত্রের পাশাপাশি সামরিক দলগুলোর মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ রক্ষার জন্য ১ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি মূল্যের ‘ট্যাকটিক্যাল মিশন নেটওয়ার্ক’ সফটওয়্যার ও সরঞ্জাম বিক্রির প্রস্তাবও অনুমোদন করা হয়েছে। বেইজিংয়ের সম্ভাব্য সামরিক চাপ মোকাবিলায় তাইওয়ানকে প্রস্তুত রাখতেই এই ত্বরিত সিদ্ধান্ত বলে মনে করছে ট্রাম্প প্রশাসন।