ঢাকার সঙ্গে সরাসরি ফ্লাইট বাতিল করল এয়ার ইন্ডিয়া
ডারউইন, ১৫ মে: ঢাকার সঙ্গে মুম্বাইয়ের সরাসরি ফ্লাইট সাময়িকভাবে স্থগিত করাসহ একাধিক আন্তর্জাতিক রুটে বড় ধরনের পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত বিমান সংস্থা ‘এয়ার ইন্ডিয়া’।…
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে মার্কিন বাহিনীর আকস্মিক আটকের ঘটনাটি বিশ্বজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। তবে এই অভিযানের কয়েক সপ্তাহ পেরোতেই বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা ‘রয়টার্স’-এর অনুসন্ধানী প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাদুরোর পতন এবং তাঁকে তুলে নেওয়ার নেপথ্যে কাজ করেছে তাঁরই খুব কাছের মানুষের বিশ্বাসঘাতকতা এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিয়োসদাদো কাবেলোর সঙ্গে ওয়াশিংটনের গোপন আঁতাত।
দুর্গসদৃশ নিরাপত্তা ভেদ করে মাদুরোকে তুলে নেওয়া কীভাবে সম্ভব হলো, তার উত্তর মিলেছে গোয়েন্দা তথ্যে। জানা গেছে, মাদুরোর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এক ব্যক্তি নিয়মিত তাঁর অবস্থান ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার খুঁটিনাটি সিআইএ-কে সরবরাহ করছিলেন। এর ফলে মার্কিন বাহিনী নিখুঁতভাবে অভিযান পরিচালনা করতে সক্ষম হয়।
কাবেলো কি পরবর্তী তুরুপের তাস? মাদুরোর পর ভেনেজুয়েলার সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তি ধরা হয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিয়োসদাদো কাবেলোকে। অবাক করা বিষয় হলো, যে মাদক পাচারের মামলায় মাদুরো আটক হয়েছেন, সেই একই মামলায় কাবেলোর মাথার দাম ২ কোটি ৫০ লাখ ডলার ঘোষণা করা থাকলেও অভিযানে তাঁকে স্পর্শ করেনি যুক্তরাষ্ট্র। রয়টার্স বলছে:
অভিযানের কয়েক মাস আগে থেকেই ট্রাম্প প্রশাসন কাবেলোর সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ রাখছিল।
ওয়াশিংটন কাবেলোকে সতর্ক করেছে যেন তাঁর নিয়ন্ত্রাধীন বাহিনী বিরোধীদের ওপর চড়াও না হয়।
বর্তমানে অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে কাবেলোর ‘মৌন সমর্থন’ জরুরি মনে করছে যুক্তরাষ্ট্র।
সাবেক প্রেসিডেন্ট হুগো শ্যাভেজের ঘনিষ্ঠ এই সহযোগী সামরিক ও বেসামরিক গোয়েন্দা সংস্থা এবং সরকারপন্থি সশস্ত্র মিলিশিয়া ‘কোলেকতিভো’দের প্রধান নিয়ন্ত্রক। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভেনেজুয়েলার তেলসম্পদের নিয়ন্ত্রণ এবং গৃহযুদ্ধ এড়াতে যুক্তরাষ্ট্র আপাতত কাবেলোর মতো বিতর্কিত নেতার ওপর নির্ভর করছে। তবে তাঁর অন্ধকার অতীত এবং মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ভবিষ্যতে ওয়াশিংটনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে।