বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক প্রবীণ রাজনীতিক তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন
ডারউইন, ০১ জুন: বাংলাদেশের প্রবীণ রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন। উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম এই সংগঠক আজ সোমবার বেলা সাড়ে তিনটায় রাজধানীর স্কয়ার…
ঢাকা : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময়সীমা শেষ হলেও বিএনপির অস্বস্তি কাটছে না। দলের কঠোর নির্দেশনা ও বহিষ্কারের হুমকি উপেক্ষা করে এখনো প্রায় ৫০টি আসনে ৯১ জন বিদ্রোহী প্রার্থী সক্রিয় রয়েছেন। আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) প্রতীক বরাদ্দের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হলেও অভ্যন্তরীণ এই বিভক্তি নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে দলটি।
মাঠে বিএনপির হেভিওয়েট বিদ্রোহীরা: বিএনপির প্রার্থী তালিকায় এখন ২৮৯ জন টিকে থাকলেও অন্তত ছয়টি আসনে জোটের মিত্রদের বিরুদ্ধে লড়ছেন বিএনপির বিদ্রোহীরা।
ঢাকা-১২: সাইফুল আলম নীরব (বিকল্প প্রার্থী নেই)।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২: রুমিন ফারহানা (জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের প্রার্থীর বিরুদ্ধে)।
পটুয়াখালী-৩: হাসান মামুন (নুরুল হক নুরের বিরুদ্ধে)।
ঝিনাইদহ-৪: সাইফুল ইসলাম ফিরোজ (গণঅধিকার পরিষদের রাশেদ খানের বিরুদ্ধে)। এছাড়া ঢাকা-৭ আসনে ইশহাক সরকার এবং সাতক্ষীরা-৩ আসনে ডা. শহিদুল ইসলাম স্বতন্ত্র হিসেবে অনড় রয়েছেন।
নির্ধারিত সময়ের আগে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোয় জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, এনসিপি এবং খেলাফত মজলিসকে সতর্ক করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আচরণবিধি অনুযায়ী ২১ জানুয়ারির আগে প্রচারণা নিষিদ্ধ থাকলেও এসব দল তা লঙ্ঘন করেছে বলে বিএনপির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
ইসি জানিয়েছে, গাজীপুর-১ এর বিএনপি প্রার্থী মজিবুর রহমান এবং জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ শীর্ষ ৭ নেতার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এদিকে পোস্টাল ব্যালট নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচারে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেন, “সাংবাদিকরা সঠিক তথ্য দিচ্ছেন বলেই মানুষ বিভ্রান্ত হচ্ছে না, নতুবা অপপ্রচারে আমাদের ১২টা বেজে যেত।”