ঢাকার সঙ্গে সরাসরি ফ্লাইট বাতিল করল এয়ার ইন্ডিয়া
ডারউইন, ১৫ মে: ঢাকার সঙ্গে মুম্বাইয়ের সরাসরি ফ্লাইট সাময়িকভাবে স্থগিত করাসহ একাধিক আন্তর্জাতিক রুটে বড় ধরনের পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত বিমান সংস্থা ‘এয়ার ইন্ডিয়া’।…
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পাকিস্তানের অস্থির প্রদেশ বেলুচিস্তানে টানা তিন দিন ধরে পরিচালিত এক ভয়াবহ সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে বিএলএ-সহ বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর অন্তত ১৯৭ জন সদস্য নিহত হয়েছেন। একই সময়ে দায়িত্ব পালনকালে প্রাণ হারিয়েছেন কমপক্ষে ২২ জন পাকিস্তানি সেনা। পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও সশস্ত্র বিদ্রোহীদের এই ত্রিমুখী সংঘর্ষে নারী ও শিশুসহ ৩৬ জন বেসামরিক নাগরিকও নিহত হয়েছেন। সব মিলিয়ে গত ৭২ ঘণ্টায় নিহতের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫৫ জনে।
গত ৩১ জানুয়ারি বেলুচিস্তানের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন ‘বেলুচ লিবারেশন আর্মি’ (বিএলএ) একযোগে প্রদেশের অন্তত ১২টি শহর ও জনপদে বড় ধরনের হামলা চালায়। কোয়েটা, গোয়াদর ও পাসনিসহ বিভিন্ন স্থানে পরিচালিত ওই প্রাথমিক হামলায় ১৭ জন নিরাপত্তা কর্মকর্তা এবং ৩১ জন বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারান। এরপরই পাকিস্তান সেনাবাহিনী বেলুচিস্তানজুড়ে বড় ধরনের ‘ক্লিয়ারেন্স অপারেশন’ শুরু করে।
পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর মিডিয়া উইং আইএসপিআর (ISPR) এই সশস্ত্র গোষ্ঠীকে ‘ভারত-সমর্থিত’ এবং ‘ফিতনা আল-হিন্দুস্তান’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জঙ্গিরা ১৮ জন নিরীহ শ্রমিক ও সাধারণ মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে। তবে নিরাপত্তা বাহিনী সাহসিকতার সাথে অধিকাংশ জঙ্গিকে নির্মূল করতে সক্ষম হয়েছে। আইএসপিআর-এর দাবি, এই হামলার ব্লু-প্রিন্ট পাকিস্তানের বাইরে থেকে তৈরি করা হয়েছে।
বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে ‘স্যানিটাইজেশন অপারেশন’ বা চিরুনি অভিযান চালাচ্ছে সেনাবাহিনী। বিএলএ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিদেশি জ্বালানি কোম্পানি এবং পাঞ্জাব প্রদেশ থেকে আসা শ্রমিকদের লক্ষ্য করে হামলার মাত্রা বাড়িয়ে দিয়েছে। গত বছরও যাত্রীবাহী ট্রেনে হামলার মাধ্যমে তারা বড় ধরনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের সূচনা করেছিল।