ঢাকার সঙ্গে সরাসরি ফ্লাইট বাতিল করল এয়ার ইন্ডিয়া
ডারউইন, ১৫ মে: ঢাকার সঙ্গে মুম্বাইয়ের সরাসরি ফ্লাইট সাময়িকভাবে স্থগিত করাসহ একাধিক আন্তর্জাতিক রুটে বড় ধরনের পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত বিমান সংস্থা ‘এয়ার ইন্ডিয়া’।…
করাচি: করাচির এম এ জিন্নাহ সড়কের একটি বহুতল শপিংমলে লাগা ভয়াবহ আগুনে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৬ জনে দাঁড়িয়েছে। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) ভবনটির ধ্বংসাবশেষ থেকে শিশুসহ আরও দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করেছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। তবে নিখোঁজ রয়েছেন আরও অন্তত ৬৯ জন, যার ফলে প্রাণহানির সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ফায়ার ব্রিগেডের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভবনের প্রথম তলার উদ্ধার অভিযান সম্পন্ন হয়েছে এবং কর্মীরা বর্তমানে দ্বিতীয় তলায় তল্লাশি চালাচ্ছেন। ডেপুটি ইনস্পেক্টর জেনারেল (সাউথ) আসাদ রাজা জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত মাত্র ৬টি মরদেহ শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। বাকিরা এতটাই দগ্ধ হয়েছেন যে ডিএনএ পরীক্ষা ছাড়া তাঁদের পরিচয় শনাক্ত করা অসম্ভব। তবে করাচি মেয়র মুর্তজা ওয়াহাব জানিয়েছেন, ১৮টি মরদেহ প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করা হয়েছে।
অগ্নিনির্বাপক কর্মীদের মতে, ভবনটিতে পর্যাপ্ত বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা (ভেন্টিলেশন) না থাকায় ভেতরে ঘন ধোঁয়া জমাট বেঁধে ছিল। এই ধোঁয়ার কারণে আটকা পড়া মানুষদের কাছে পৌঁছাতে প্রায় ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় লেগেছে। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা হওয়ায় উদ্ধারকারী যানবাহন চলাচলেও বিঘ্ন ঘটে।
দিকে ভবনের আশেপাশে স্বজনহারা মানুষের ভিড় উপচে পড়ছে। অনেকেই ভবনের ভাঙাচোরা অংশে প্রবেশের চেষ্টা করছেন। ক্ষুব্ধ জনতা এই অগ্নিকাণ্ডের পেছনে কর্তৃপক্ষের অবহেলাকে দায়ী করে সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন।