৩.২৫ লাখ কোটি রুপিতে ১১৪টি ‘রাফাল’ কিনছে ভারত
ভারত ফ্রান্সের কাছ থেকে ৩.২৫ লাখ কোটি রুপিতে ১১৪টি রাফাল যুদ্ধবিমান কিনছে। ম্যাক্রোঁর ভারত সফরের আগেই চুক্তির প্রস্তুতি ও বিস্তারিত।
কলকাতা : পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকায় বড় ধরনের ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপ্যান্সি’ বা তথ্যগত অসঙ্গতি ধরা পড়েছে। নির্বাচন কমিশন সুপ্রিম কোর্টে জমা দেওয়া এক হলফনামায় জানিয়েছে, বীরভূম জেলার নানুর বিধানসভা এলাকায় জনৈক এক ব্যক্তিকে পিতা হিসেবে উল্লেখ করেছেন ৩৮৯ জন ভোটার। কমিশন এই ঘটনাকে বাস্তবে ও বৈজ্ঞানিক দিক থেকে ‘অসম্ভব’ বলে বর্ণনা করেছে।
কমিশনের হলফনামায় কেবল বীরভূম নয়, রাজ্যের আরও কয়েকটি জেলার চিত্র উঠে এসেছে:
৩১০ জন ভোটার একই ব্যক্তিকে অভিভাবক হিসেবে দেখিয়েছেন।
মুর্শিদাবাদ: ১৯৯ জন ভোটারের পিতা একজনই।
১৭০ জন ভোটারের অভিভাবক একই ব্যক্তি।
থাক্রমে ১৫২ জন ও ১২০ জন ভোটারের ক্ষেত্রে একই অসঙ্গতি পাওয়া গেছে।
কমিশন জানায়, রাজ্যে ২ লাখ ৬ হাজারের বেশি ক্ষেত্রে ৬ জনের বেশি সন্তানের তথ্য পাওয়া গেছে। ১০ জনের বেশি সন্তান রয়েছে এমন ভোটার নথিভুক্ত আছেন ৮ হাজার ৬৮২ জন। এমনকি ১০০ জনের বেশি সন্তানের ঘটনা মিলেছে ৭টি ক্ষেত্রে।
কেন এই গণশুনানি? এই বিপুল অসঙ্গতি দূর করতে কমিশন ১ কোটি ৫১ লাখের বেশি ভোটারকে শুনানির নোটিশ পাঠিয়েছে। এর মধ্যে ২০ লাখ ভোটারকে ডাকা হয়েছে শুধুমাত্র ‘সন্তান সংক্রান্ত’ অসঙ্গতি যাচাইয়ের জন্য। এই প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছিলেন।
আগামীকাল বুধবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চে এই চাঞ্চল্যকর মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। ভোটার তালিকার এই ত্রুটি ইচ্ছাকৃত জালিয়াতি নাকি প্রযুক্তিগত গোলযোগ, তা নিয়েই এখন চলছে বিচার বিশ্লেষণ।