৩.২৫ লাখ কোটি রুপিতে ১১৪টি ‘রাফাল’ কিনছে ভারত
ভারত ফ্রান্সের কাছ থেকে ৩.২৫ লাখ কোটি রুপিতে ১১৪টি রাফাল যুদ্ধবিমান কিনছে। ম্যাক্রোঁর ভারত সফরের আগেই চুক্তির প্রস্তুতি ও বিস্তারিত।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : গ্রিনল্যান্ড দখলের উচ্চাকাঙ্ক্ষা থেকে পিছু হটছেন না মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ২০২৬ সালের শুরুতেই এই দ্বীপ ভূখণ্ডটিকে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ করার জন্য ডেনমার্ক ও ইউরোপীয় মিত্রদের ওপর নজিরবিহীন শুল্ক ও কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টি করেছেন তিনি। এই পরিস্থিতিকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে আটলান্টিক-পারস্পরিক সম্পর্কের সবচেয়ে বড় সংকট হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
সম্প্রতি ওয়াশিংটনে ডেনমার্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লার্স লোকে রাসমুসেন এবং গ্রিনল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভিভিয়ান মোৎজফেল্ড মার্কিন শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে রুদ্ধশ্বাস বৈঠক করেছেন। বৈঠক শেষে রাসমুসেন কড়া ভাষায় জানান, “এটি ২০২৬ সাল, আধুনিক বিশ্বে মানুষের অধিকার নিয়ে এভাবে কেনাবেচা হতে পারে না।” তবে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এই দাবিকে জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে ‘অপরিহার্য’ বলে উসকে দিচ্ছেন।
ট্রাম্প সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, গ্রিনল্যান্ড ক্রয় বা নিয়ন্ত্রণের চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত ডেনমার্কসহ ৮টি ইউরোপীয় দেশের ওপর ১০ শতাংশ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করা হবে। নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি স্বীকার করেছেন, গ্রিনল্যান্ড জয় করা তাঁর জন্য এক ধরণের ‘মনস্তাত্ত্বিক বিজয়’।
যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নিরাপত্তা নির্ভরশীলতা কমিয়ে সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও ন্যাটো:
রাশিয়া বা চীনের অজুহাত কাটাতে ফ্রান্স, জার্মানি ও ব্রিটেন ইতিমধ্যে গ্রিনল্যান্ডে প্রতীকী সৈন্য মোতায়েন শুরু করেছে।
ইইউ গ্রিনল্যান্ডের জন্য বরাদ্দ দ্বিগুণ করার ঘোষণা দিয়েছে এবং নুক-এ নতুন অফিস খোলার প্রস্তাব দিয়েছে।
ডেনমার্ক জানিয়েছে, সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তারা প্রয়োজনে ন্যাটোর ‘আর্টিকেল ৫’ ব্যবহারের কথাও ভাবছে।