৩.২৫ লাখ কোটি রুপিতে ১১৪টি ‘রাফাল’ কিনছে ভারত
ভারত ফ্রান্সের কাছ থেকে ৩.২৫ লাখ কোটি রুপিতে ১১৪টি রাফাল যুদ্ধবিমান কিনছে। ম্যাক্রোঁর ভারত সফরের আগেই চুক্তির প্রস্তুতি ও বিস্তারিত।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: দীর্ঘ উত্তেজনার পর আগামী শুক্রবার ওমানে সরাসরি বৈঠকে বসতে যাচ্ছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। এই বৈঠককে ঘিরে তেল আবিবের নীতিনির্ধারকদের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ কাজ করছে। ইসরাইলি বিশ্লেষকদের মতে, হোয়াইট হাউসে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রত্যাবর্তনের পর আঞ্চলিক রাজনীতিতে ইসরাইলের একক আধিপত্য বা ‘ভেটো’ দেওয়ার ক্ষমতা ক্রমেই সংকুচিত হয়ে আসছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক মিচেল বারাকের মতে, ট্রাম্প একজন ‘লেনদেনভিত্তিক’ রাজনীতিবিদ। তিনি ইরানে হামলা চালানোর বদলে একটি বড় ধরনের সমঝোতা বা ‘ডিল’ করতে পারেন, যা ইসরাইলের নিরাপত্তা উদ্বেগকে উপেক্ষা করতে পারে। গাজা যুদ্ধে ইসরাইলের আপত্তি সত্ত্বেও কাতার, তুরস্ক ও মিশরকে অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে ওয়াশিংটন ইতিমধ্যেই বুঝিয়ে দিয়েছে যে তারা এখন থেকে মধ্যপ্রাচ্যের নেতৃত্ব সরাসরি নিজেদের হাতে রাখবে।
চ্যাথাম হাউজের যোসি মেকেলবার্গের মতে, ইরান হলো নেতানিয়াহুর জন্য সেই ‘বিগ ব্যাড উলফ’, যাকে দেখিয়ে তিনি নিজের ঘরোয়া সংকটগুলো ধামাচাপা দেন। ৭ অক্টোবরের ব্যর্থতা, বিচার বিভাগ সংস্কার নিয়ে জনরোষ এবং নিজের দুর্নীতির মামলা থেকে বাঁচতে ইরানের সঙ্গে একটি যুদ্ধ বা সংঘাতের হুমকি নেতানিয়াহুর জন্য রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করছে।
বিশ্লেষক ওরি গোল্ডবার্গের দাবি, ইসরাইল এখন সিরিয়া ও লেবাননেও আগের মতো ‘অবাধ স্বাধীনতা’ পাচ্ছে না। দামেস্কের সঙ্গে সমঝোতার জন্য ট্রাম্প প্রশাসন উল্টো নেতানিয়াহুকে চাপ দিচ্ছে। গোল্ডবার্গের মতে, “নেতানিয়াহুর আসলে যুদ্ধের প্রয়োজন নেই; হুমকি জিইয়ে রেখে রাজনৈতিকভাবে টিকে থাকাই তাঁর মূল লক্ষ্য।”