৩.২৫ লাখ কোটি রুপিতে ১১৪টি ‘রাফাল’ কিনছে ভারত
ভারত ফ্রান্সের কাছ থেকে ৩.২৫ লাখ কোটি রুপিতে ১১৪টি রাফাল যুদ্ধবিমান কিনছে। ম্যাক্রোঁর ভারত সফরের আগেই চুক্তির প্রস্তুতি ও বিস্তারিত।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের মৃত্যু নিয়ে বিশ্বজুড়ে চলা রহস্যে নতুন মাত্রা যোগ করলেন লেডি ভিক্টোরিয়া হার্ভে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘ডেইলি এক্সপ্রেস’-এর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ভিক্টোরিয়ার দাবি অনুযায়ী এপস্টেইন ২০১৯ সালে নিউইয়র্কের কারাগারে মারা যাননি, বরং তিনি বর্তমানে ইসরায়েলে জীবিত রয়েছেন।
এলবিসি’র উপস্থাপক টম সোয়ারব্রিককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে লেডি ভিক্টোরিয়া জোর দিয়ে বলেন, “আমার কখনোই মনে হয়নি এপস্টেইন মারা গেছেন। তাঁকে একটি ‘ট্রিপ ভ্যানে’ করে কারাগার থেকে স্থানান্তর করা হয়েছিল। তিনি আত্মহত্যা করেননি, বরং তিনি ইসরায়েলে পালিয়ে গেছেন।”
সম্প্রতি মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই-এর একটি তথ্যের বরাত দিয়ে বিভিন্ন রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, এপস্টেইন ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা ‘মোসাদ’-এর একজন প্রশিক্ষিত এজেন্ট ছিলেন। এমনকি তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল—উভয় দেশের ডাবল এজেন্ট হিসেবে কাজ করতেন বলেও গুঞ্জন রয়েছে।
২০১৯ সালের ১০ আগস্ট নিউইয়র্কের মেট্রোপলিটন কারেকশনাল সেন্টারে এপস্টেইনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। সরকারিভাবে একে ‘আত্মহত্যা’ বলা হলেও তাঁর ঘাড়ে থাকা গভীর আঘাতের চিহ্ন এবং সেলের নিরাপত্তা ক্যামেরার রহস্যজনক বিকল হয়ে যাওয়া নিয়ে শুরু থেকেই প্রশ্ন তুলেছেন বিশেষজ্ঞরা।
নতুন নথিতে তোলপাড়: গত দুই মাসে মার্কিন বিচার বিভাগ এপস্টেইন সংক্রান্ত লাখ লাখ নথি প্রকাশ করেছে। এসব নথিতে বিশ্বখ্যাত রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নাম উঠে আসায় আন্তর্জাতিক মহলে তোলপাড় চলছে। ‘লম্বা সুইডিশ ব্লন্ড’ নারীর প্রস্তাব থেকে শুরু করে ভারতীয় ও মার্কিন ধনকুবেরদের সম্পৃক্ততা—সব মিলিয়ে এপস্টেইন অধ্যায় এখন মার্কিন প্রশাসনের জন্য এক বড় অস্বস্তির নাম।