৩.২৫ লাখ কোটি রুপিতে ১১৪টি ‘রাফাল’ কিনছে ভারত
ভারত ফ্রান্সের কাছ থেকে ৩.২৫ লাখ কোটি রুপিতে ১১৪টি রাফাল যুদ্ধবিমান কিনছে। ম্যাক্রোঁর ভারত সফরের আগেই চুক্তির প্রস্তুতি ও বিস্তারিত।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রে ‘এপস্টেইন ফাইল’ জনসমক্ষে আসার পর তালিকায় থাকা প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নিয়ে বিশ্বজুড়ে যে তোলপাড় চলছে, তার মধ্যে পপ সম্রাট মাইকেল জ্যাকসনের নাম থাকা নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। নথিপত্র অনুযায়ী, জ্যাকসন একবার ফ্লোরিডার পাম বিচে জেফরি এপস্টেইনের বিলাসবহুল প্রাসাদে গিয়েছিলেন। তবে তাঁর এই সফর নিয়ে চাঞ্চল্যকর কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
আদালতের নথিতে এপস্টেইনের অন্যতম সহযোগী ও অভিযোগকারী জোহানা সজোবার্গের সাক্ষ্য বিশেষভাবে গুরুত্ব পেয়েছে। সজোবার্গ জানিয়েছেন, তিনি সেই প্রাসাদে থাকাকালীন মাইকেল জ্যাকসনকে সেখানে দেখেছিলেন। তবে তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, জ্যাকসন সেখানে কোনো অপ্রীতিকর বা অনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ছিলেন না। এমনকি তিনি কারও কাছ থেকে কোনো বিশেষ ‘সেবা’ বা ম্যাসাজ গ্রহণ করেননি। সজোবার্গের ভাষ্যমতে, জ্যাকসনের উপস্থিতি ছিল নিতান্তই সামাজিক বা সৌজন্যমূলক।
আইনজীবী ও বিশ্লেষকরা বলছেন, এপস্টেইনের সামাজিক বৃত্তে অনেক বিশ্ববরেণ্য তারকার যাতায়াত ছিল। নথিতে নাম থাকা মানেই কেউ অপরাধী নয়। এখন পর্যন্ত প্রকাশিত নথিতে জ্যাকসনের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়ন বা পাচারের মতো কোনো গুরুতর অভিযোগের লেশমাত্র নেই। মূলত এপস্টেইনের প্রভাবশালী সামাজিক অবস্থানের কারণেই জ্যাকসন সেখানে গিয়েছিলেন বলে মনে করা হচ্ছে।
নথি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জ্যাকসনের ভক্তরা তাঁর পক্ষ নিয়ে সরব হয়েছেন। তাঁদের দাবি, কোনো তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই পপ সম্রাটকে এই কলঙ্কিত অধ্যায়ের সাথে জড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে পুরো ফাইলটি এখনো পুরোপুরি বিশ্লেষণাধীন থাকায় বিশ্ববাসী সতর্ক নজর রাখছে।